Uncategorized
তৃণমূল যোগ নাকি নতুন চমক? দিলীপ ঘোষের ‘২১ তারিখ’ মন্তব্যে চর্চা তুঙ্গে
ডিজিটাল ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির (BJP) নতুন রাজ্য সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। বৃহস্পতিবার সায়েন্স সিটিতে (Science City) আয়োজিত সম্বর্ধনা সভায় তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। তবে এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পাননি বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এই অনুপস্থিতিকে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা—তাঁকে কি ধীরে ধীরে দল থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে?
যদিও শমীক ভট্টাচার্য নিজেই জানিয়েছেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে দিলীপ ঘোষকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও দিলীপের অনুপস্থিতি ও সাম্প্রতিক মন্তব্য ফের চর্চায় তুলে আনছে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান।
আরও পড়ুনঃ হিমাচলে প্রকৃতির রুদ্র রূপ! মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ৬০, ক্ষতি ৪০০ কোটি টাকারও বেশি
শুক্রবার ইকো পার্কে (Eco Park) প্রাতঃভ্রমণে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নে দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ দল ঠিক করবে, আমি নিজে থেকে কিছু চাইনি। গাড়ি, নিরাপত্তা, পদ—সব কিছুই দল দিয়েছে। এখন যদি মনে করে আমি সাধারণ কর্মী হিসেবে কাজ করব, তাতেই আমি রাজি।”
তাঁর সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে। দিলীপ ঘোষ বলেন, “২১ জুলাই পর্যন্ত কল্পনার সময় দেওয়া হয়েছে। মার্কেটে কিছু না কিছু চলতেই থাকে, দিলীপ ঘোষও তাই আছে মার্কেটে।”
তৃণমূল (TMC) নেতাদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়েও মুখ খোলেন তিনি। জানান, “কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh), অরূপ বিশ্বাস (Aroop Biswas)-এর সঙ্গে অনেক পুরনো সম্পর্ক আছে, থাকবে। আমি ব্যক্তিগত সম্পর্ক আর রাজনৈতিক অবস্থান আলাদা করে দেখি।”
দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে (Digha Jagannath Temple) যাওয়ার প্রসঙ্গে বলেন, “আমি কোনও দলের প্রতিনিধি হয়ে যাইনি। একজন সম্মানীয় নাগরিক হিসেবে গিয়েছি, যেখানে আমার ট্যাক্সের টাকা খরচ হয়েছে।”
সব মিলিয়ে দিলীপ ঘোষকে ঘিরে বিজেপির অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন ও তাঁর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে জল্পনা আরও ঘনীভূত হচ্ছে।
