বিচারপতি বর্মার বাড়ি থেকে উদ্ধার টাকা: তদন্ত কমিটি দিল্লি পুলিশকে সাফাই দিতে বাধ্য
Connect with us

হাই কোর্ট

বিচারপতি বর্মার বাড়ি থেকে উদ্ধার টাকা: তদন্ত কমিটি দিল্লি পুলিশকে সাফাই দিতে বাধ্য

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ দিল্লি হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি যশবন্ত বর্মার সরকারি বাসভবন থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্ত কমিটির জেরার মুখে পড়েছে দিল্লি পুলিশ। তদন্তকারী কমিটির প্রশ্ন— এত বড় অঙ্কের টাকা উদ্ধারের পরও কেন দায়ের করা হয়নি কোনও এফআইআর? কেন বাজেয়াপ্ত করা হয়নি ওই অর্থ? আর কেনই বা ঘটনার সময় তোলা ভিডিয়ো ক্লিপ ডিলিট করা হয়েছে?

সূত্রের খবর, দিল্লি পুলিশের কমিশনার সঞ্জয় অরোরা ও ডেপুটি কমিশনার দেবেশ কুমার মহলাকে মুখোমুখি বসিয়ে একাধিক প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন কমিটির সদস্যরা। পুলিশের বক্তব্য, বিচারপতির মতো উচ্চপদস্থ বিচারক সম্পর্কে ফৌজদারি মামলা দায়ের করার আগে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির অনুমোদন প্রয়োজন। সেই কারণেই পুলিশ প্রাথমিকভাবে ‘দায়িত্ব’ পালন করলেও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। গোটা বিষয়টি প্রথমে দিল্লি হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে জানানো হয় সুপ্রিম কোর্টকে।

আরও পড়ুনঃরাজ্যে জাল ওষুধ সরবরাহে বেআইনি চক্র, অভিযানে তৎপর নবান্ন 

প্রসঙ্গত, গত ১৪ মার্চ রাতে আগুন লাগে বিচারপতি বর্মার সরকারি বাসভবনে। আগুন নেভাতে গিয়ে দমকলকর্মীরা বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ দেখতে পান বলে অভিযোগ। সেই টাকা ‘হিসাব বহির্ভূত’ বলে দাবি করা হয়। যদিও বিচারপতি বর্মা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, ঘটনার সময় তিনি এবং তাঁর স্ত্রী ভোপালে ছিলেন, এবং যে ঘর থেকে টাকা উদ্ধার হয়েছে, তা বাংলোর মূল অংশের সঙ্গে যুক্ত নয়। সেখানে বাইরের লোকজন যাতায়াত করেন বলেও দাবি তাঁর।

Advertisement
ads

এদিকে, নগদ উদ্ধারের ঘটনার জেরে যশবন্ত বর্মাকে দিল্লি হাই কোর্ট থেকে ইলাহাবাদ হাই কোর্টে বদলি করার সিদ্ধান্ত নেয় সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম। যদিও তারা বিবৃতি দিয়ে জানায়, বদলির সিদ্ধান্তের সঙ্গে নগদ কাণ্ডের কোনও সম্পর্ক নেই।

ঘটনার স্বচ্ছ তদন্তের জন্য সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না একটি তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছেন। এই কমিটিতে রয়েছেন পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি শীল নাগু, হিমাচল প্রদেশ হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি জি এস সন্ধাওয়ালিয়া এবং কর্নাটক হাই কোর্টের বিচারপতি অনু শিবরামন। ইতিমধ্যেই তদন্তের রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

বিচারপতি বর্মার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই পদক্ষেপ বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement