দেশের খবর
লন্ডনে জনসমুদ্রে ‘বিকশিত ইউপি ২০৪৭’-এর স্বপ্ন উজ্জ্বল করলেন যোগী
ডিজিটাল ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) স্বপ্ন ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ (Viksit Bharat) গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্যেই এবার দৃঢ় পদক্ষেপ উত্তরপ্রদেশ সরকারের। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) শুরু করলেন ‘বিকশিত ইউপি ২০৪৭’ (Viksit UP 2047) প্রকল্প। এই ভাবনা নিয়েই এবার পৌঁছে গেলেন লন্ডনে (London), যেখানে প্রবাসী উত্তরপ্রদেশের (UP diaspora) মানুষজন তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন।
লন্ডনের স্লাগ হলে (Slough Hall) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্পকে ঘিরে দেখা গেল বিপুল জনসমাগম। উপস্থিত ছিলেন স্ট্যাম্প এবং নিবন্ধন (Stamp and Registration) প্রতিমন্ত্রী রবীন্দ্র জয়সওয়াল (Ravindra Jaiswal)। তিনি জানান, ২০৪৭ সালের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের উন্নয়নের (development) রূপরেখা কীভাবে তৈরি করা হয়েছে, তা নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
ইংল্যান্ডের (England) বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে থাকা উত্তরপ্রদেশের মানুষদের মধ্যেও এই প্রকল্প নিয়ে উৎসাহ চোখে পড়ার মতো। অনেকেই চাইছেন কেমব্রিজ (Cambridge) ও সুইনডন (Swindon)-সহ আরও বহু শহরে এমন জমায়েত হোক, যাতে ‘বিকশিত ইউপি’-র ভাবনা পৌঁছে যায় ঘরে ঘরে।
ইউপিডিএফ ব্রিটেনের (UPDF Britain) চেয়ারম্যান পঙ্কজ জয়সওয়াল (Pankaj Jaiswal) জানিয়েছেন, আগামী দিনে দুবাই (Dubai), নেদারল্যান্ডস (Netherlands), আমেরিকা (USA) সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই ধরনের অনুষ্ঠান হবে। সেখানেও তুলে ধরা হবে উন্নত উত্তরপ্রদেশ গঠনের ব্লুপ্রিন্ট (blueprint)।
এদিনই ‘বিকশিত ইউপি’-র লোগো (logo) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইউপিডিএফ ব্রিটেনের অন্য দুই চেয়ারম্যান ড. অজয় সিং (Dr. Ajay Singh) ও মধুরেশ মিশ্র (Madhuresh Mishra)। সেই সঙ্গে প্রকাশিত হয় আশিস মিশ্র (Ashish Mishra) ও পদ্মেশ গুপ্ত (Padmesh Gupta)-র লেখা দুটি বই।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটেনের প্রাক্তন এমপি বীরেন্দ্র শর্মা (Virendra Sharma), স্লাগের মেয়র অভিরামাচার্যজি মহারাজ (Abhiramacharyaji Maharaj), ভারতীয় রাষ্ট্রদূত অনুরাধা পাণ্ডে (Anuradha Pandey) সহ বিশিষ্টজনেরা।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি একটি বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেছিলেন, “রাজ্য সরকার শুধুমাত্র নীতি প্রণয়ন করছে না, বরং যুবক, বিজ্ঞানী ও উদ্যোক্তাদের (entrepreneurs) ভাবনাগুলিকে বাস্তবায়নের দিশা দিচ্ছে। প্রতিটি গবেষণা (research) যেন হয় একটি পণ্য (product), প্রতিটি পণ্য হয়ে উঠুক একটি শিল্প (industry), আর সেই শিল্পই হোক ভারতের শক্তি।”
এদিনের অনুষ্ঠান যেন সেই বক্তব্যেরই প্রতিফলন, যা শুধুমাত্র উত্তরপ্রদেশ নয়, গোটা ভারতের আগামীর উন্নয়নকেই চিহ্নিত করছে।


