শহিদ ঘোষণার পর ইউ-টার্ন! খামনেইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে ইরান সরকারের দাবি ঘিরে বিতর্ক
Connect with us

বিশ্বের খবর

শহিদ ঘোষণার পর ইউ-টার্ন! খামনেইয়ের স্ত্রীকে নিয়ে ইরান সরকারের দাবি ঘিরে বিতর্ক

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ মধ্যপ্রাচ্যের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির (Situation) মাঝেই এক নাটকীয় মোড় নিল ইরান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে ইজরায়েল ও আমেরিকার শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র (Missile) হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামনেইয়ের মৃত্যুর পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী মানসুরেহ খোজাস্তেহ বাগেরজ়াদেহ-ও নিহত হয়েছেন বলে খবর ছড়িয়েছিল। এমনকি বেশ কিছু ইরানি সংবাদমাধ্যম তাঁকে ‘শহিদ’ (Martyr) হিসেবেও ঘোষণা করেছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) আইআরজিসি-র (IRGC) ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম ‘ফার্স নিউজ’ এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে যে, খামনেই-পত্নী জীবিত রয়েছেন।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পূর্ববর্তী মৃত্যুর খবরগুলো ছিল ভিত্তিহীন (Base-less)। যদিও হামলার পর তিনি গুরুতর আহত (Injured) হয়েছিলেন এবং কোমায় (Coma) চলে গিয়েছিলেন বলে গুজব ছিল, বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন। নিরাপত্তার খাতিরে তাঁর বর্তমান অবস্থান গোপন (Secret) রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে (Statement) পিতা আয়াতোল্লা আলি খামনেইয়ের মুষ্টিবদ্ধ মরদেহের স্মৃতিচারণ করলেও মায়ের মৃত্যু নিয়ে কোনো শব্দ খরচ করেননি। এরপরই তাঁর বেঁচে থাকার খবরটি প্রকাশ্যে আসে।

Advertisement
ads ads

২৮ ফেব্রুয়ারির সেই হামলায় আমেরিকার ‘ব্লু স্প্যারো’ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে খামনেই এবং তাঁর একাধিক শীর্ষ আধিকারিক নিহত হন। সেই হামলায় খামনেইয়ের মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা প্রাণ হারিয়েছেন বলে দাবি করা হলেও, খামনেই-পত্নীর বেঁচে ওঠার সংবাদটি আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। অনেকে একে ইরানের কোনো বড় কূটনৈতিক কৌশল (Diplomatic Tactic) হিসেবেও দেখছেন। ১৯৬৪ সালে আলি খামনেইয়ের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া বাগেরজ়াদেহ সবসময়ই পর্দার আড়ালে থাকতেই পছন্দ করতেন। বর্তমানে তাঁর এই ‘পুনর্জীবন’ যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানের অন্দরে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Continue Reading
Advertisement ads