ঠাকুরবাড়িতে ফাটল আরও গভীর! মমতাবালা ঠাকুর আমরণ অনশনে, মতুয়া কমিটি বিভাজন
Connect with us

রাজনীতি

ঠাকুরবাড়িতে ফাটল আরও গভীর! মমতাবালা ঠাকুর আমরণ অনশনে, মতুয়া কমিটি বিভাজন

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: SIR (সিটিজেনশিপ ইনফরমেশন রেজিস্ট্রেশন) ইস্যুতে আমরণ অনশনে (hunger strike) বসলেন মমতাবালা ঠাকুর (Mamata Bala Thakur)। মমতাবালা ঠাকুরের সমর্থকরা (supporters) তাঁর বাড়ির সামনে (Thakur Bari) অনশন মঞ্চ তৈরি করেছেন।

মমতাবালা ঠাকুরের দাবি, SIR হলে মতুয়া (Matua) সম্প্রদায়ের নাম (names) তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে। তিনি নিজেই অনশনের ডাক দিয়েছেন। তবে খবরটি সম্প্রচারিত হওয়ার সময়, তিনি অনশন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন না, বিশেষ কাজে বাইরে ছিলেন। অনশনকারীরা (protestors) নিঃশর্ত (unconditional) নাগরিকত্বের দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, বাংলাদেশি ঘোষণা বা কাগজ (documents) দেখানোই নাগরিকত্বের যোগ্যতা নয়। ২০২৪ সালের মধ্যে যারা বাংলাদেশ থেকে ছিন্নমূল হয়ে এসেছেন, তাঁদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

এদিকে, SIR ইস্যুর আবহে মতুয়া বাড়ির (Matua Bari) ফাটল আরও চওড়া হয়েছে। মতুয়া মহাসঙ্ঘে (Matua Mahasangh) তৃতীয় সমান্তরাল কমিটি গঠন করেছেন গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর (Subrata Thakur)। একই নামে নতুন কমিটি গঠন হওয়ায় রাজনৈতিক উত্তাপ সৃষ্টি হয়েছে। উপদেষ্টা মণ্ডলীর (advisory board) তালিকায় বিরোধী দলনেতা (opposition leader) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সহ অসীম সরকার, স্বপন মজুমদার, অশোক কীর্তনিয়ার নাম থাকায় চমক সৃষ্টি হয়েছে।

Advertisement
ads

অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের (All India Matua Mahasangh) নামে এ পর্যন্ত দুটো আলাদা কমিটি চলত। একটি অংশ বিজেপি (BJP) কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) নেতৃত্বে, অন্যটি তৃণমূলের মমতাবালা ঠাকুরের নেতৃত্বে। শান্তনু ও সুব্রত ঠাকুর তাঁদের পিতৃপরম্পরার পদে (pramukh seva position) রেখেছেন। শান্তনু ঠাকুরের নেতৃত্বে হিন্দুত্ব (Hindutva) সার্টিফিকেট দেওয়ার কাজ চলছে, যা CAA-র (Citizenship Amendment Act) মাধ্যমে নাগরিকত্বের আবেদন প্রক্রিয়ার অংশ।

শান্তনু ঠাকুর আশ্বাস দিয়েছেন, “CAA-তে (CAA) আবেদন করুন। নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করব, যাদের ২০০২ সালের তালিকায় (list) নাম নেই, তাঁদের নাম যাতে বাদ না যায়।” একই আশ্বাস দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

তবে মমতাবালা ঠাকুর প্রথম থেকেই বলেছেন, “শান্তনু ঠাকুর মতুয়াদের ধোঁয়াশায় ফেলেছেন। মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে। নাগরিকত্বের আবেদন করলে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ হবে, এমন কোন আইন নেই।” তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (All India General Secretary) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)ও স্পষ্ট করেছেন, CAA ক্যাম্পে গেলে অসমের মতো ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হতে পারে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement