মা-বাবার ভুলেই বাচ্চাদের হৃদরোগের সমস্যা, জেনে নিন এই বিপদের দাওয়াই
Connect with us

স্বাস্থ্য

মা-বাবার ভুলেই বাচ্চাদের হৃদরোগের সমস্যা, জেনে নিন এই বিপদের দাওয়াই

Dwip Narayan Chakraborty

Published

on

শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে হৃদযন্ত্রের সুস্থতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মানুষের শরীরে। সাধারণত বাচ্চাদের ক্ষেত্রে তা অতি আবশ্যিক। বর্তমান সময়ে অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিষ্ক্রিয় জীবনযাপন এবং ত্বকের প্রতি আসক্তি শিশুদের হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

প্রক্রিয়াজাত খাবার, ফাস্ট ফুড, চিনি ও লবণযুক্ত স্ন্যাকস এড়িয়ে চলা খুব প্রয়োজনীয়। বাজার থেকে আনা তাজা শাকসবজি, ফলমূল, গোটা শস্য, বাদাম, মাছ ও চর্বিহীন প্রোটিন বাচ্চাদের হৃদরোগের পক্ষে খুব উপকারী। সব থেকে বেশি জরুরি বাচ্চাদের হাইড্রেশন সম্পর্কে সচেতন রাখতে পর্যাপ্ত জল খাওয়ানো দরকার।

দিনে কমপক্ষে ১ ঘণ্টা করে শরীর চর্চা করা প্রয়োজনীয়। যেমন- দৌড়াদৌড়ি, সাইকেল চালানো, খেলাধুলা । পরিবারের সদস্যদের সাথে বাইরে সময় কাটানো বা হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন। মোবাইল, টিভি প্রতিদিনে ১-২ ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত।

আরও পড়ুন – জানেন কেন জন্মের সময় শিশুদের দাঁত থাকে না?

Advertisement
ads

শিশুর BMI অথবা বডি মাস ইনডেক্স ( Body Mass Index ) নিয়মিত পরীক্ষা করে ওবেসিটি রোধ করুন। মিষ্টি ও ফ্যাটযুক্ত খাবারের পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবারের বিকল্প দিতে হবে।

শিশুর আশেপাশে যেমন বাড়িতে বা রাস্তায় ধূমপান একেবারেই নিষিদ্ধ রাখা দরকার। তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে বাচ্চাদের সচেতন রাখতে হবে। যা শিশুদের হৃদরোগের সমস্যা থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।

বাচ্চাদের বয়স অনুযায়ী ঘুমের প্রয়োজনীয়তা নিয়ম অনুযায়ী করা আবশ্যিক। প্রি-স্কুলার ১০-১৩ ঘণ্টা। স্কুলগামী: ৯-১২ ঘণ্টা। কিশোর ৮-১০ ঘণ্টা। ঘুমের সময় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার থেকে বিরত রাখতে হবে বাচ্চাদের।

বাচ্চাদের একটা বয়সের থেকেই কোনোদিক দিয়ে মানসিক চাপ আসতে পারে। সেই সমস্ত দিক থেকে সচেতন রাখতে হবে সন্তানকে। পড়াশোনা বা প্রতিযোগিতামূলক চাপের কারণে উদ্বেগ বাড়লে শিশুর সাথে খোলামেলা আলোচনা করতে হবে অভিভাবকদের। ধ্যান, ইয়োগা বা শখের কাজে উৎসাহিত করতে হবে তাদের।

Advertisement
ads

আরও পড়ুন – অফিসে সিনিয়রদের কাছে ধমক খান? জেনে নিন সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ

রক্তচাপ, কোলেস্টেরল এবং রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক আছে কি না জানতে হলে তা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। বিশেষত পরিবারে হৃদরোগের ইতিহাস থাকলে ভিটামিন ডি ও আয়রনের ঘাটতি যেন না থাকে তা নিশ্চিত করুন।

হৃদযন্ত্রের গুরুত্ব ও সুস্থতার উপায় সম্পর্কে শিশুকে বয়সোপযোগীভাবে বোঝানো। পারিবারিকভাবে স্বাস্থ্যকর রুটিন মেনে চলা, যাতে শিশু অনুকরণ করতে শেখে। শিশুর হৃদযন্ত্রের সুস্থতা আজীবন স্বাস্থ্যের ভিত্তি তৈরি করে। মনে রাখবেন, শিশুরা পরিবার থেকেই অভ্যাস শেখে—সুস্থ জীবনযাপনের মাধ্যমে তাদের জন্য একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলুন।

আরও পড়ুন – সিজারিয়ান মায়ের দ্রুত সুস্থতা এবং শিশুর সুস্থ বিকাশের জন্য পুষ্টিকর খাবারের তালিকা

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement