নেপালে সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ব্যাপক বিক্ষোভ ১৯ জনের মৃত্যু, ৯ মন্ত্রীর পদত্যাগ
Connect with us

বিশ্বের খবর

নেপালে সোশ্যাল মিডিয়া নিষেধাজ্ঞা নিয়ে ব্যাপক বিক্ষোভ ১৯ জনের মৃত্যু, ৯ মন্ত্রীর পদত্যাগ

Dipa Chakraborty

Published

on

শ্রীলঙ্কার মত নেপালেও অশান্তির ছায়া (shadow of unrest)। রাজধানী কাঠমান্ডু (Kathmandu) জ্বলছে বিক্ষোভের আগুনে। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম (Social Media Platforms)-এর উপরে জারি হওয়া নিষেধাজ্ঞা (ban) প্রত্যাহারের পরও স্থির হয়নি অবস্থা। নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Home Minister) পদত্যাগের পরে এবার পদত্যাগ করলেন নেপালের কৃষিমন্ত্রী রামনাথ অধিকারী (Ram Nath Adhikari), জলসম্পদমন্ত্রী প্রদীপ যাদব (Pradeep Yadav), স্বাস্থ্য মন্ত্রী প্রদীপ পাওডেল (Pradeep Paudel)-সহ মোট ৯ জন মন্ত্রী। তবু থামছে না সাধারণের ক্ষোভ (public outrage)।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই কার্ফু (curfew) উপেক্ষা করে রাস্তায় নেমেছে জনতা। ডেপুটি প্রধানমন্ত্রীর (Deputy Prime Minister) বাড়ি সহ একাধিক সরকারি ভবনে (government buildings) আগুন লেগেছে। বিক্ষোভকারীদের দাবী—প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির (KP Sharma Oli) পদত্যাগ। বিরোধী দলগুলি (opposition parties) মুখ খুলছে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের পক্ষে।

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম (Social Media Platforms)-এর বিরুদ্ধে ঘোষিত নিষেধাজ্ঞার (ban) প্রতিবাদে সোমবার থেকে শুরু হয় ব্যাপক উত্তেজনা। গেট ভেঙে সংসদ ভবনে (parliament building) প্রবেশ করে বিক্ষোভকারীরা। তাদের আটকাতে রবার বুলেট (rubber bullets) ও জলকামান (water cannons) ব্যবহার করেছে পুলিশ। জনতা-পুলিশ সংঘর্ষে (clash) মৃত্যু হয়েছে এক সাংবাদিকসহ (journalist included) মোট ১৯ জনের। আহতের সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়েছে।

প্রথমে নিষেধাজ্ঞার (ban) পক্ষে অটল থাকা সত্ত্বেও জনতার চাপের মুখে পিছু হটে নেপালের ওলি সরকার। প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি (KP Sharma Oli) বলেন, ‘আমরা সোশ্যাল মিডিয়ার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করব।’ বিক্ষোভকারীদের ‘ঝঞ্ঝাট সৃষ্টিকারী জেন জ়ি’ (troublemaker Jan Ji) বলেও অভিহিত করেন তিনি।

Advertisement
ads

তবে আন্দোলনের উত্তাপে নেপালি কংগ্রেসের (Nepali Congress) মন্ত্রীরাও পদত্যাগের পক্ষে সওয়াল করেন। শেষে প্রবল চাপের মুখে রাতে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সময়েই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখক (Ramesh Lekhak)-এর পদত্যাগের কথা শোনা যায়।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজের মসনদ (political seat) বাঁচাতে জনতার ক্ষোভের সামনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রীর পদত্যাগ বিনিময় হিসেবে দেওয়া হয়েছে। অন্য একটি সূত্র দাবি করে, এত মানুষের প্রাণহানির (loss of lives) পর নেপাল কংগ্রেসের নয় মন্ত্রী নিজের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

Continue Reading
Advertisement