খুন
দত্তাবাদ স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুন: রাজগঞ্জ বিডিওর গাড়িচালকসহ ২ জন গ্রেপ্তার
ডিজিটাল ডেস্ক: দত্তাবাদে (Duttabad) স্বর্ণ ব্যবসায়ী (gold trader) খুনের (murder) ঘটনায় পুলিশের (police) জালে ২ জন ধৃত। গ্রেপ্তার করা হয়েছে রাজগঞ্জের বিতর্কিত (controversial) বিডিও (BDO)-র গাড়িচালক এবং তাঁর বন্ধু। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃতদের নাম রাজু ঢালি (Raju Dhali) এবং তুফান থাপা (Tufan Thapa)।
রাজু ঢালি রাজারহাটের বাসিন্দা (resident) এবং ওই বিডিওর গাড়িচালক। অপর ধৃত তুফান বিডিওর বন্ধু হিসেবে পরিচিত। পুলিশ তদন্তে পাওয়া সিসিটিভি (CCTV) ফুটেজে দেখা গেছে নীলবাতি (blue-light) গাড়ি চালিয়ে দেহ লোপাটের (body disposal) দৃশ্য ধরা পড়েছে।
বিধাননগর (Bidhan Nagar) মহকুমা আদালতে (court) ধৃতদের পেশ করলে বিচারক ১২ দিনের পুলিশ হেফাজতের (police custody) নির্দেশ দেন।
নিহত স্বর্ণ ব্যবসায়ীর নাম স্বপন কামিলা (Swapan Kamila)। তিনি মূলত পশ্চিম মেদিনীপুরের নীলদা পোস্টঅফিস এলাকার (Nilda Post Office area) দিলামাটিয়া (Dilamatia) বাসিন্দা। দত্তাবাদে তাঁর সোনার (gold) গয়নার দোকান রয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, ২৮ অক্টোবর (October) দোকান থেকে তাঁকে তুলে নেওয়া হয়। বিধাননগর দক্ষিণ থানায় (police station) নিখোঁজ (missing) ডায়েরি (FIR) করা হয়। পরের দিন নিউটাউনের যাত্রাগাছির বাগজোলা খালপাড় (Bagjola Khalpar) এলাকার ঝোপ থেকে দেহ উদ্ধার হয়।
পরিবার দাবি করে, স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে অপহরণ (abduction) করে খুন করা হয়েছে। এ ঘটনায় নাম জড়ায় রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মনের (Prashanta Barman)। অভিযোগ, অপহরণ ও খুনের সঙ্গে তিনি সম্পূর্ণভাবে যুক্ত।
পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় ১০-১৫ বছর ধরে দত্তাবাদে দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করতেন স্বপন কামিলা। সম্প্রতি বিতর্কিত বিডিওর বাড়ি থেকে কিছু গয়না চুরি হয়ে দোকানে বিক্রি হয়, যার খোঁজখবর নিতে বিডিও প্রথমবার দোকানে আসেন। সংঘাতের মধ্যে ২৮ অক্টোবর (October), একটি নীলবাতি গাড়ি নিয়ে তিনি দোকানের সামনে উপস্থিত হন। গাড়ি থেকে নামতে দেখা যায় তাঁকে। এরপরই স্বপনকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।
এই ঘটনার পর বিডিও অন্তরালে (hideout) চলে যান। শুক্রবার (Friday) তিনি প্রকাশ্যে আসেন এবং অপহরণ ও খুনে যোগসাজশের (conspiracy) অভিযোগ অস্বীকার করেন। পরদিনই গ্রেপ্তার হন বিডিওর ঘনিষ্ঠ (close) দুই সহযোগী।


