নারী সুরক্ষায় জোর, রাজ্যজুড়ে মার্শাল আর্ট শিবিরের ঘোষণা সিপিএমের
Connect with us

ভাইরাল খবর

নারী সুরক্ষায় জোর, রাজ্যজুড়ে মার্শাল আর্ট শিবিরের ঘোষণা সিপিএমের

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: লোকসভা ভোটে উল্লেখযোগ্য সাফল্য না পেলেও, ভোটের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে উদ্যোগী সিপিএম (CPIM)। নারী নিরাপত্তা ও আত্মরক্ষার প্রশ্নে এবার জেলাস্তরে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করছে বাম শিবির। শুক্রবার জলপাইগুড়িতে সারা ভারত গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির (AIDWA) এক কেন্দ্রীয় সম্মেলনে এই ঘোষণা করেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম (Md Salim)।

সেলিমের কথায়, “বর্তমানে রাজ্যে মহিলাদের উপর নিপীড়নের ঘটনা লাগাতার বাড়ছে। পার্কস্ট্রিট, কামদুনি থেকে সাম্প্রতিক RG Kar মেডিক্যাল কলেজের ঘটনা—সবই এই সরকার ও প্রশাসনের ব্যর্থতার পরিচায়ক। রাজ্যবাসীর আর পুলিশের উপর ভরসা নেই। তাই মেয়েদের আত্মরক্ষা শেখা আজ অপরিহার্য। আমরা সেই দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত।”

আরও পড়ুনঃ মোদীর পর এবার বাংলায় অমিত শাহ, বিজেপির বৈঠকে ছাব্বিশের ভোট ঘিরে জল্পনা

উল্লেখ্য, এপ্রিল মাসে প্রকাশিত সিপিএম-এর লোকসভা ইস্তেহারে মহিলাদের সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নের প্রতিশ্রুতি ছিল। ইস্তেহারে জানানো হয়েছিল, নির্বাচনে জিতলে রাজ্যজুড়ে সেলফ ডিফেন্স প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। এবার ভোটে হারলেও, সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে মাঠে নামল সিপিএম।

Advertisement
ads

শুধু আত্মরক্ষা নয়, কর্মজীবী মহিলাদের জন্য তাঁদের সন্তানের দেখাশোনায় সহায়তা করতে রাজ্যজুড়ে ক্রেশ কেন্দ্র (Daycare Centres) গড়ার কথাও বলেছে বামপন্থী মহিলা সংগঠন।

এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু (Biman Bose), DYFI রাজ্য সভানেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় (Minakshi Mukherjee), এবং মহিলা প্রার্থী দীপ্সিতা ধর (Dipsita Dhar), সায়রা হালিম (Saira Shah Halim), জাহানারা খান (Jahanara Khan), সোনামণি মুর্মু টুডু (Sonamani Murmu Tudu), ও শ্যামলী প্রধান (Shyamali Pradhan)।

মীনাক্ষীর বক্তব্যে উঠে এসেছে সাংসদ তহবিলের এক বড় অংশ নারী নিরাপত্তা ও সশক্তিকরণের লক্ষ্যে বরাদ্দ করার প্রস্তাব। তাঁর কথায়, “শুধু বক্তৃতা নয়, আমরা বাস্তবেই চাই মহিলারা নিজেরাই নিজেদের রক্ষা করতে শেখেন। তাই ক্যারাটে থেকে শুরু করে নানা ধরনের আত্মরক্ষা প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে।”

বাম শিবিরের মতে, সমাজে নারী-নিরাপত্তা ও সম্মান ফিরিয়ে আনতে কেবল নীতিগত অবস্থান নয়, প্রয়োজন পদক্ষেপ—এবং সেটাই এখন তাঁদের মূল লক্ষ্য।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement