জর্ডনে হামলার জবাব, ইরানে বড়সড় মার্কিন হামলা! একাধিক বিস্ফোরণে মৃত্যুর আশঙ্কা
Connect with us

বিশ্বের খবর

জর্ডনে হামলার জবাব, ইরানে বড়সড় মার্কিন হামলা! একাধিক বিস্ফোরণে মৃত্যুর আশঙ্কা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ জর্ডনে (Jordan) অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে (Military Base) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র (Missile) হামলার জবাবে বড়সড় সামরিক অভিযান (Military Operation) চালাল আমেরিকা (United States)। বৃহস্পতিবার ভোরে ইরানের (Iran) একাধিক এলাকায় বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে (Middle East) মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর উপর হামলার জবাব হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) আগেই ইরানকে কড়া ভাষায় সতর্ক করেছিলেন। বুধবার তিনি স্পষ্ট জানান, জর্ডনে হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। সেই হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শুরু হয় মার্কিন হামলা।

Advertisement
ads ads

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, দক্ষিণাঞ্চলের (Southern Region) একাধিক এলাকায় বিস্ফোরণ (Explosion) হয়েছে। বুশেহর (Bushehr), কেশম (Qeshm) দ্বীপ, বন্দর আব্বাস (Bandar Abbas), আবু মুসা (Abu Musa) এবং কিশ (Kish) দ্বীপে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, কেশম দ্বীপের একটি আবাসিক এলাকাতেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। যদিও এখনও পর্যন্ত হতাহতের সরকারি সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি, তবে একাধিক মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্কিন বাহিনীর দাবি, প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে চলা এই অভিযানে ইরানের সামরিক অবকাঠামো, ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্র, ড্রোন (Drone) ঘাঁটি, উপকূলীয় নজরদারি ব্যবস্থা এবং প্রতিরক্ষা স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। তবে কোন কোন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

Advertisement
ads ads

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার জর্ডনে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা হয়। মার্কিন বাহিনীর দাবি, সেই হামলা প্রতিহত করা হয়েছিল। এরপরই ট্রাম্প পাল্টা জবাবের ঘোষণা দেন। কয়েকদিনের যুদ্ধবিরতির (Ceasefire Pause) পর ফের ইরানে মার্কিন সামরিক অভিযান শুরু হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

বর্তমানে এই হামলার পর ইরানের তরফে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসার অপেক্ষায় আন্তর্জাতিক মহল। দুই দেশের সংঘাত আরও বাড়বে নাকি কূটনৈতিক (Diplomatic) পথে সমাধানের চেষ্টা হবে, সেদিকেই নজর বিশ্বের।

Advertisement
ads ads
Continue Reading
Advertisement ads