বাস্তুশাস্ত্র
বারান্দায় ঠাকুরঘর? বাস্তুশাস্ত্রের এই নিয়ম না মানলে হতে পারে অশুভ
ডিজিটাল ডেস্কঃ বাস্তুশাস্ত্র (Vastu Shastra) ও হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী, ঘরের প্রতিটি কোণের আমাদের জীবনে গভীর প্রভাব রয়েছে। এর মধ্যে ঠাকুরঘর বা মন্দিরের (Temple) স্থান নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাস্তুবিজ্ঞান (Vastu Science) মতে, বাড়ির উত্তর-পূর্ব কোণ বা ঈশান কোণ মন্দির স্থাপনের জন্য শ্রেষ্ঠ স্থান হিসেবে গণ্য করা হয়, কারণ এই দিকটি দেবতাদের অবস্থানস্থল। তবে আধুনিক ফ্ল্যাট সংস্কৃতি (Flat culture) বা জায়গার অভাবে অনেকেই এখন বাধ্য হয়ে ঘরের মূল অংশের বদলে বারান্দা (Balcony)-য় মন্দির স্থাপন করেন। বারান্দায় দেবস্থান করার ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি, নতুবা হিতে বিপরীত হতে পারে।
বারান্দায় মন্দির রাখার ক্ষেত্রে যে সমস্ত সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন, তা একনজরে দেখে নেওয়া যাক:
১. সঠিক দিক ও প্রাচীর (Direction and Wall): বাড়িতে আলাদা ঠাকুরঘর না থাকলে উত্তর বা পূর্বমুখী দেওয়ালে ছোট তাক বা কাঠ-মার্বেলের তৈরি ওয়াল-মাউন্টেড মন্দির (Wall-mounted Temple) স্থাপন করা যেতে পারে। খেয়াল রাখবেন, মন্দিরের উপরে বা নিচে যেন কোনোভাবেই শৌচালয় (Toilet) বা বাথরুম না থাকে।
২. কাচ বা কাঠের আবরণে সুরক্ষা (Protection with glass/wood): বারান্দার মন্দির সরাসরি রোদ, বৃষ্টি ও ধুলোবালির সংস্পর্শে থাকে। তাই মন্দির রক্ষায় ছোট কাচ বা কাঠের দরজা (Door) ব্যবহার করা উচিত, যাতে বিগ্রহ পবিত্র থাকে।
৩. পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা (Maintaining cleanliness): বারান্দা সাধারণত বাইরের চলাচলের জায়গা হওয়ায় মন্দির চত্বর সর্বদা পরিষ্কার রাখা বাধ্যতামূলক। মন্দিরের আশেপাশে ভুলেও জুতো-চটি (Footwear) রাখা যাবে না।
৪. প্রাকৃতিক সান্নিধ্য ও তুলসী গাছ (Natural proximity and Tulsi plant): বারান্দার মন্দিরের পাশে একটি পবিত্র তুলসী গাছ (Tulsi Plant) রাখতে পারেন। প্রতিদিন টাজা ফুল নিবেদন করলে ঘরের ইতিবাচক শক্তি (Positive Energy) ও শান্তি বৃদ্ধি পায়।
