ভাইরাল খবর
সোনারপুরের পর এবার চণ্ডীতলায় আক্রান্ত তৃণমূল! ঢিলের আঘাতে মাথা ফাটল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের
ডিজিটাল ডেস্কঃ শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেনস্তার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল হুগলির চণ্ডীতলা। রবিবার সকালে শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ (MP) কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দলীয় কর্মীদের গ্রেপ্তারির প্রতিবাদ এবং সোনারপুরের ঘটনার ধিক্কার জানিয়ে চণ্ডীতলা থানায় স্মারকলিপি (memorandum) দিতে গিয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু কর্মসূচি শুরুর আগেই থানার সামনে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।
তৃণমূলের অভিযোগ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় যখন দলীয় কর্মীদের নিয়ে থানার সামনে বিক্ষোভ (protest) দেখাচ্ছিলেন, তখন আচমকাই একদল লোক এসে তাঁকে কালো পতাকা দেখায় এবং ‘চোর চোর’ স্লোগান (slogans) দিতে শুরু করে। দু’পক্ষের মধ্যে তীব্র বাগ্বিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি শুরু হলে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী (paramilitary forces) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এই উত্তেজনার মাঝেই দূর থেকে ছিটকে আসা একটি ইটের টুকরো বা ঢিল সরাসরি সাংসদের মাথায় লাগে। আঘাতে প্রবীণ এই তৃণমূল নেতার মাথা ফেটে যায় এবং তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলেই তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসা (first-aid) করা হয়।
এই নজিরবিহীন হামলার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে তীব্র আক্রমণ করে ‘স্বেচ্ছাচারী’ বলে অভিহিত করেন এবং আইসি (IC)-র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দাবি করেন যে পুলিশ ইচ্ছা করে তাঁকে মার খাইয়েছে। অন্যদিকে, বিজেপি (BJP) এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। গেরুয়া শিবিরের দাবি, ক্ষমতার পরিবর্তনের পর তৃণমূল নেতাদের দেখে এটি সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষ (public wrath)। আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চণ্ডীতলা থানা চত্বরে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।


