পদত্যাগ না করলে বরখাস্তই একমাত্র পথ! মমতার ইস্তফা ঘিরে কটাক্ষ হিমন্ত ও দিলীপ ঘোষের
Connect with us

ভাইরাল খবর

পদত্যাগ না করলে বরখাস্তই একমাত্র পথ! মমতার ইস্তফা ঘিরে কটাক্ষ হিমন্ত ও দিলীপ ঘোষের

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির (BJP) বিপুল জয়ের পর বাংলার রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুশোর বেশি আসনে জয় পেয়ে সরকার গঠনের পথে পদ্মশিবির, কিন্তু বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এখনও ইস্তফা (resignation) দিতে রাজি নন। তাঁর দাবি, তিনি নির্বাচনে হারেননি, বরং একাধিক আসনে কারচুপি (rigging) হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) তীব্র কটাক্ষ করে মমতাকে ‘শাড়ি পরা ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)’ বলে উল্লেখ করেন। ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে তিনি বলেন, “দু’দিনের মধ্যে ক্ষমতার নেশা কেটে যাবে, মানুষ ওঁকে প্রত্যাখ্যান করেছে।” তাঁর মতে, জনাদেশ (public mandate) মানতে অস্বীকার করছেন তৃণমূল নেত্রী।

অন্যদিকে, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পদত্যাগ না করলে বরখাস্ত (dismissal) করা হতে পারে। তিনি বলেন, “দেশ কারও ব্যক্তিগত ইচ্ছায় চলবে না।”

Advertisement
ads

সংবিধান (Constitution) অনুযায়ী, রাজ্যপালের (Governor) হাতে মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগ বা অপসারণের ক্ষমতা রয়েছে। প্রয়োজনে বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা (majority test) প্রমাণের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। তা না হলে সংবিধানের ৩৫৬ ধারা (Article 356) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি শাসন (President’s Rule) জারির সুপারিশও করা সম্ভব।

উল্লেখ্য, ৪ মে ফল প্রকাশে বিজেপি ২০৭টির বেশি আসন জিতে এগিয়ে, অন্যদিকে তৃণমূল পেয়েছে অনেক কম আসন। ৭ মে পর্যন্ত বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ থাকায়, তার পর সাংবিধানিক জটিলতা (constitutional crisis) তৈরি হতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Continue Reading
Advertisement