দেশের খবর
আইটি জগতের অন্দরে এ কি ভয়াবহ ছবি! টিসিএস ধর্মান্তরণ ও যৌন হেনস্তা কাণ্ডে নয়া মোড়
ডিজিটাল ডেস্কঃ নাসিকের টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস (TCS)-এর অফিসে ধর্মান্তরণ (Conversion) ও যৌন হেনস্তার অভিযোগে উত্তাল সারা দেশ। প্রতিদিন উঠে আসছে শিহরণজাগানো সব তথ্য। অভিযোগ উঠেছে, অফিসের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা (Officials) কাজের ডেস্কে বসেই মহিলা সহকর্মীদের অশালীন ইঙ্গিত করতেন এবং অনেককে হোটেলে (Hotel) দেখা করার জন্য বাধ্য করতেন। এই ঘটনায় অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত তথা স্বঘোষিত ‘এইচআর প্রধান’ (HR Head) নিদা খান বর্তমানে পলাতক (Absconding)।
সূত্রের খবর, নিদা খান মূলত একজন টেলিকলার হিসেবে সংস্থায় যোগ দিলেও প্রভাব খাটিয়ে এইচআর-এর দায়িত্ব পালন করতেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ‘কর্পোরেট জেহাদ’-এর অংশ হিসেবে হিন্দু মহিলা কর্মীদের জোর করে ধর্মান্তরণের চেষ্টা করতেন। এমনকি হিন্দু কর্মীদের আমিষ খাবার (Non-veg food) খেতে এবং নির্দিষ্ট ধর্মীয় রীতিনীতি পালনে বাধ্য করার মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে। মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী গিরিশ মহাজন দাবি করেছেন, অভিযুক্তরা ভালো বেতনের প্রলোভন (Allurement) দেখিয়ে তরুণীদের নমাজ ও রোজা পালনে চাপ দিত।
ইতিমধ্যেই নাসিক পুলিশ একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করেছে। শ্লীলতাহানি (Molestation) ও ধর্মান্তরণের চেষ্টার অভিযোগে আসিফ আনসারি, শফি শেখ ও শাহরুখ কুরেশি সহ মোট সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগকারী তরুণীদের বয়স ১৮ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। তাঁরা জানিয়েছেন, গত দুই-তিন বছর ধরে তাঁদের ব্যক্তিগত দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ব্ল্যাকমেল (Blackmail) এবং যৌন নির্যাতন চালানো হয়েছে।
বিষয়টি বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) পৌঁছেছে। জনস্বার্থ মামলায় এই ঘটনাকে ‘সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের’ (Terrorist activity) সাথে তুলনা করা হয়েছে। অন্যদিকে, অভিযুক্ত নিদা খান তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে মুম্বাই থেকে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন। তাঁর পরিবারের দাবি, নিদা বর্তমানে সন্তানসম্ভবা (Pregnant)। ভারতখ্যাত এই আইটি সংস্থার (IT Giant) অন্দরে এমন ঘটনায় দেশজুড়ে ক্ষোভের আগুন জ্বলছে।


