ভোটের ৫ দিন আগে ‘অঘোষিত’ রাষ্ট্রপতি শাসন! থানা নিষ্ক্রিয় করে কমান্ড আধা সেনার হাতে
Connect with us

ভাইরাল খবর

ভোটের ৫ দিন আগে ‘অঘোষিত’ রাষ্ট্রপতি শাসন! থানা নিষ্ক্রিয় করে কমান্ড আধা সেনার হাতে

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election) অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে নজিরবিহীন পদক্ষেপের পথে হাঁটছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar) ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ভোটগ্রহণের ৫ দিন আগে থেকেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Forces) হাতে তুলে দেওয়া হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এর ফলে রাজ্যে কার্যত এক ‘অঘোষিত’ রাষ্ট্রপতি শাসন (Presidential Rule) জারি হতে চলেছে।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটগ্রহণের ৫ দিন আগে থেকে স্থানীয় থানাগুলি (Police Stations) কার্যত নিষ্ক্রিয় থাকবে। পুলিশ শুধুমাত্র কেস ডায়েরি (Case Diary) লেখা এবং আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। এমনকি ভোটের দিন বুথের লাইনের শৃঙ্খলা রক্ষার কাজ, যা আগে রাজ্য পুলিশ করত, এবার তা সামলাবে বিএলও (BLO) এবং আধা সেনা। এই মাসের মধ্যেই আরও প্রায় দু’হাজার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে আসার কথা রয়েছে। সোমবার বাহিনীর প্রথম দফার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হতে পারে।

প্রার্থীদের প্রচারের ক্ষেত্রেও প্রযুক্তির (Technology) ওপর কড়া নজরদারি চালাচ্ছে কমিশন। এবার থেকে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রের (Nomination) হলফনামায় তাঁদের প্রতিটি সোশ্যাল মিডিয়া (Social Media) অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে। শুধু তাই নয়, ফেসবুক বা ইন্টারনেটে কোনো বিজ্ঞাপন দিতে হলে ‘মিডিয়া সার্টিফিকেশন অ্যান্ড মনিটরিং কমিটি’ বা এমসিএমসি (MCMC)-র আগাম অনুমোদন (Approval) নেওয়া বাধ্যতামূলক। অনুমোদনহীন বিজ্ঞাপন দিলে তা নির্বাচনী বিধিভঙ্গ (Violation of rules) হিসেবে গণ্য হবে।

Advertisement
ads

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) মতো বিরোধী নেতারা দীর্ঘদিন ধরেই মোদী জমানায় অঘোষিত রাষ্ট্রপতি শাসনের অভিযোগ করে আসছিলেন। কমিশনের এই অতিসক্রিয়তা এবং পুলিশকে কোণঠাসা করার পরিকল্পনা সেই বিতর্ককেই (Controversy) নতুন করে উসকে দিল। পেইড নিউজ (Paid News) এবং ভুয়ো খবর (Fake News) রুখতে সমাজমাধ্যম কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও বৈঠক করেছে কমিশন। এ পর্যন্ত প্রায় ২৭ লক্ষ ২৩ হাজার অভিযোগের নিষ্পত্তি (Settlement) করেছে নির্বাচন দফতর।