ডাক্তারি পড়ার আড়ালে আইএসের চর! পুলিশের জালে ১৯ বছরের ডেন্টাল পড়ুয়া
Connect with us

ভাইরাল খবর

ডাক্তারি পড়ার আড়ালে আইএসের চর! পুলিশের জালে ১৯ বছরের ডেন্টাল পড়ুয়া

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডের পর ডাক্তারদের জঙ্গি মডিউলের কথা সামনে এসেছিল। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই এবার উত্তরপ্রদেশ থেকে পুলিশের জালে ধরা পড়ল এক ডেন্টাল পড়ুয়া (Dental Student)। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের জঙ্গিদমন শাখা (ATS) জানিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম হরিশ আলি, যার বয়স মাত্র ১৯ বছর। সাহারানপুরের বাসিন্দা এই যুবক ইন্টারনেটের (Internet) মাধ্যমে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (IS) সংস্পর্শে আসে।

পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, মোরাদাবাদ থেকে ধৃত এই ছাত্রটি কেবল নিজে সদস্য ছিল না, বরং অন্যদের মগজধোলাই (Brainwashing) করার কাজেও লিপ্ত ছিল। সে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ইন্সটাগ্রামে (Instagram) একটি গোপন গ্রুপ তৈরি করেছিল। সেখানে সে যুবকদের জিহাদি মানসিকতা ছড়ানোর সেশন (Sessions) নিত। বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষিত যুবকদের কীভাবে কট্টরপন্থার (Radicalization) দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, এই ঘটনা তার একটি জ্বলন্ত উদাহরণ। অভিযুক্ত হরিশের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই কঠোর ইউএপিএ (UAPA) আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এর আগে মার্চ মাসেই গাজিয়াবাদ থেকে জইশ-ই-মহম্মদের মতাদর্শ প্রচারের অভিযোগে ৬ জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সেই চক্রের মূল হোতা শাভেজ সোশ্যাল মিডিয়ার ভিডিও দেখে উদ্বুদ্ধ হয়েছিল। গোয়েন্দা সংস্থাগুলির (Intelligence agencies) দাবি, পাকিস্তান ও বিভিন্ন কট্টরপন্থী সংগঠনগুলি বর্তমানে ভারতের যুবসমাজকে টার্গেট করে অনলাইন রিক্রুটমেন্ট (Online recruitment) মডিউল চালাচ্ছে। সাধারণ মুদি দোকানের কর্মী থেকে শুরু করে উচ্চশিক্ষিত ইনফ্লুয়েন্সার- কাউকেই ছাড়ছে না এই মরণজাল। এই পরিস্থিতিতে সাইবার নজরদারি (Cyber monitoring) আরও কঠোর করেছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement