মাত্র ২১ বছরেই ইতিহাস! কেরলের পালা পৌরসভার চেয়ারপার্সন হয়ে দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়
Connect with us

রাজনীতি

মাত্র ২১ বছরেই ইতিহাস! কেরলের পালা পৌরসভার চেয়ারপার্সন হয়ে দেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ কেরলের (Kerala) কোট্টায়াম জেলার পালা শহরে রাজনীতির ইতিহাসে যুক্ত হল এক নতুন অধ্যায়। মাত্র ২১ বছর বয়সে পালা পৌরসভার চেয়ারপার্সন (Municipality Chairperson) হিসেবে দায়িত্ব নিলেন দিয়া বিনু (Diya Binu) পুল্লিক্কাকান্দম। তিনিই দেশের (India) কনিষ্ঠতম পুরসভা চেয়ারপার্সন হিসেবে নজির গড়লেন।

‘Gen Z’ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে পৌর প্রশাসনের শীর্ষ পদে বসে ইতিহাস তৈরি করেছেন দিয়া। পালা পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ড থেকে নির্দল প্রার্থী (Independent Candidate) হিসেবে তিনি পেয়েছেন ১৩১টি ভোট। একই সঙ্গে জয়ী হয়েছেন তাঁর বাবা বিনু পুল্লিক্কাকান্দম ও কাকা বিজু পুল্লিক্কাকান্দম। ফলে পৌরসভার ক্ষমতার ভারসাম্যে (Power Balance) তাঁদের পরিবারই হয়ে ওঠে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর।

২৬ সদস্যের পৌরসভায় কোনও রাজনৈতিক জোট একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। বামফ্রন্ট এলডিএফ (LDF) পেয়েছে ১২টি আসন, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ (UDF) ১০টি। বাকি চারটি আসন যায় নির্দলদের দখলে। সেই পরিস্থিতিতে নির্দলরাই হয়ে ওঠেন ‘Kingmaker’।

Advertisement
ads

শেষ পর্যন্ত পুল্লিক্কাকান্দম পরিবার ইউডিএফকে সমর্থন জানালে দিয়া বিনু চেয়ারপার্সন নির্বাচিত হন। কংগ্রেস বিদ্রোহী মায়া রাহুলও ইউডিএফের পাশে দাঁড়িয়ে ভাইস চেয়ারপার্সন (Vice Chairperson) পদ পান। এর ফলে ১৯৮৫ সালে পালা পৌরসভা গঠনের পর এই প্রথমবার এলডিএফ শরিক কেরল কংগ্রেস (এম) বিরোধী আসনে বসছে।

দায়িত্ব নেওয়ার পর দিয়া জানান, তাঁর অগ্রাধিকার থাকবে বুনিয়াদি উন্নয়ন (Basic Development) ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা (Long-term Planning)। মাদ্রাজ খ্রিস্টান কলেজ থেকে অর্থনীতিতে (Economics) স্নাতক এই নবীন নেত্রী পড়াশোনার পাশাপাশি প্রশাসনিক দায়িত্বও সামলাতে চান।

রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার উত্তরাধিকার ও নতুন প্রজন্মের ভাবনা—এই দুইয়ের মেলবন্ধনেই পালার রাজনীতিতে দিয়া বিনুর উত্থান এখন কেরল জুড়ে কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দু।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement