ভাইরাল খবর
বোনকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত অধ্যাপক, ঠাকুর দেখার রাতে কটুক্তি ও মারধরে চাঞ্চল্য
ডিজিটাল ডেস্কঃ উৎসবের (festival) আনন্দ মুহূর্তেই বদলে গেল আতঙ্কে। ঠাকুর দেখতে (Durga Puja visit) বেরিয়ে কটুক্তির (lewd comments) শিকার হলেন এক তরুণী এবং তাঁর বন্ধু। প্রতিবাদ করতে গিয়ে আক্রান্ত (assaulted) হতে হল সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর (Assistant Professor) ডাঃ সুমন সাহাকে (Dr. Suman Saha)।
ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) গাইঘাটা থানার চাঁদপাড়া (Chandpara) এলাকায়, মঙ্গলবার রাতে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ডাঃ সাহার মাসতুতো বোন এবং তাঁর এক বন্ধু ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছিলেন। রাস্তায় তাঁদের পথ আটকায় একদল যুবক, যারা অশ্লীল মন্তব্য (obscene remarks) ও শারীরিক হেনস্তা (physical harassment) করে বলে অভিযোগ। প্রথমে তারা উপেক্ষা করলেও, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
তরুণীর ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন ডাঃ সুমন সাহা। অভিযোগ, বোনকে রক্ষা করতে গেলে তাঁকেও ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর (brutal beating) করে দুষ্কৃতীরা। প্রকাশ্য রাস্তায় তাঁকে ফেলে মারধর করা হয়।
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে গাইঘাটা থানার (Gaighata Police) পুলিশ। কিন্তু তার আগেই চম্পট দেয় অভিযুক্ত যুবকের দল। পরে আক্রান্ত তরফে থানায় লিখিত অভিযোগ (written complaint) দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত (investigation) শুরু হয়েছে এবং অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে এলাকায় তল্লাশি চলছে। একজন পুলিশ আধিকারিক জানান, “সিসিটিভি ফুটেজ (CCTV footage) সংগ্রহ করা হচ্ছে, শীঘ্রই অভিযুক্তদের গ্রেফতার (arrest) করা হবে।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, “এই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই রাতের দিকে মেয়েদের একা চলাফেরা ঝুঁকিপূর্ণ (unsafe)। পুলিশি টহল (patrol) সেভাবে চোখে পড়ে না। পুজোর মতো ভিড়ের সময়েও নিরাপত্তা ছিল ঢিলেঢালা।”
এক প্রতিবেশীর কথায়, “একজন সরকারি চিকিৎসক (government doctor), কলেজের অধ্যাপকও যদি নিরাপদ না থাকেন, তাহলে সাধারণ মানুষের কী হবে?”
এই ঘটনার পর এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করুক প্রশাসন।


