মোদির ‘জয়পুর-জলপাইগুড়ি’ মন্তব্যে কটাক্ষ কুণালের, তোলেন পহেলগাঁওয়ে হামলার প্রসঙ্গ
Connect with us

ভাইরাল খবর

মোদির ‘জয়পুর-জলপাইগুড়ি’ মন্তব্যে কটাক্ষ কুণালের, তোলেন পহেলগাঁওয়ে হামলার প্রসঙ্গ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলার পর্যটনের উন্নয়ন নিয়ে বিহারে দাঁড়িয়ে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তাঁর বক্তব্যে উঠে এল জলপাইগুড়িকে ‘জয়পুর’ এবং বীরভূমকে ‘বেঙ্গালুরু’ বানানোর ইঙ্গিত। তবে প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হতে সময় নেয়নি। পালটা কটাক্ষ ছুঁড়ে দেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)।

বিহারের মোতিহারিতে এক জনসভায় মোদি বলেন, “জলপাইগুড়ি হোক জয়পুরের মতো, আর বীরভূম হোক বেঙ্গালুরুর মতো উন্নত।” এই মন্তব্যের পরই পালটা জবাবে কুণাল ঘোষ বলেন, “বাংলার পর্যটন উন্নয়নের প্রকৃত রূপকার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তিনি পাহাড়, ডুয়ার্স, সুন্দরবন, সমুদ্রতট থেকে শুরু করে গৌড়বঙ্গ, রাঢ়বঙ্গ— প্রতিটি অঞ্চলকে পর্যটন মানচিত্রে জায়গা করে দিয়েছেন।”

আরও পড়ুনঃ ‘একুশে’র আগে উত্তেজনা, মাথাভাঙ্গার বিধায়কের গাড়ি ভাঙচুরে তৃণমূলকে দায় বিজেপির

কুণাল আরও বলেন, “পাহাড়-ডুয়ার্স একসময় ছিল উপেক্ষিত। বাম জমানায় ওই এলাকায় পর্যটন ছিল না বললেই চলে। আজ সেখানে পর্যটকদের ভিড়, পরিকাঠামো ও নিরাপত্তা— সবই উন্নত। মোদিজি জানেন কি জলপাইগুড়িতে এখন কতগুলো পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে?”

Advertisement
ads

তিনি প্রধানমন্ত্রীর হোমওয়ার্ক নিয়েও প্রশ্ন তোলেন— “ভুলভাল তথ্য নিয়ে বাংলার পর্যটন নিয়ে মন্তব্য করা সাজে না। আগে পহেলগাঁওয়ের মতো জায়গায় পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন, যেখানে জঙ্গি হামলায় পর্যটকের মৃত্যু ঘটছে।”

প্রসঙ্গত, আগামী বছরেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। বিজেপি যে এবার গোড়া থেকেই ময়দানে নামতে চাইছে তা স্পষ্ট। তবে তৃণমূল নেতৃত্ব আশাবাদী, “পর্যটনে বাংলা দেশের মধ্যে অগ্রগামী, সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিকল্প নেই।”

এই রাজনৈতিক বাকযুদ্ধে একদিকে জাতীয় স্তরের বার্তা, অন্যদিকে রাজ্য রাজনীতিতে মমতা সরকারের আত্মবিশ্বাস— ২৬-এর লড়াই যে তীব্র হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement