কলেজে যৌন হেনস্থার শিকার B.Ed ছাত্রী, অভিযুক্ত অধ্যাপকের প্রতিবাদে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা
Connect with us

ভাইরাল খবর

কলেজে যৌন হেনস্থার শিকার B.Ed ছাত্রী, অভিযুক্ত অধ্যাপকের প্রতিবাদে গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্ক: ওড়িশার বালাসোর থেকে উঠে এল গা শিউরে ওঠা ঘটনা। কলেজের মধ্যেই অধ্যাপকের লাগাতার যৌন হেনস্থায় মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়ুয়া আত্মহত্যার চেষ্টা করল কলেজ চত্বরে। অভিযুক্ত অধ্যাপক বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে, কলেজের প্রিন্সিপালকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, বালাসোর জেলার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে B.Ed কোর্সের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন ওই তরুণী। দিনের পর দিন তাঁকে কুরুচিকর মন্তব্য, অশ্লীল ইঙ্গিত ও শারীরিক সম্পর্কের কুপ্রস্তাব দিয়ে মানসিক নির্যাতন চালাতেন তাঁরই বিভাগের প্রধান অধ্যাপক সমীর কুমার সাহু।

যুবতীর অভিযোগ, অধ্যাপকের হেনস্থা সহ্য না করতে পেরে কলেজের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটির (Internal Complaint Committee) দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। তাঁকে ৭ দিনের মধ্যে পদক্ষেপের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে কিছুই হয়নি। উল্টে অধ্যাপক তাঁকে ভবিষ্যৎ নষ্ট করার হুমকিও দেন বলে অভিযোগ।

আরও পড়ুনঃ “ধর্মান্ধ শুভেন্দুকে কাশ্মীরে আসার আমন্ত্রণ” — পাল্টা বার্তা জম্মু-কাশ্মীর বিজেপির

Advertisement
ads

অভিযোগের কোনও প্রতিকার না হওয়ায় শনিবার ক্ষোভে ফেটে পড়ে ওই ছাত্রী। সহপাঠীদের সঙ্গে প্রতিবাদে সামিল হন। হঠাৎই কলেজ প্রিন্সিপালের ঘরের দিকে ছুটে গিয়ে নিজের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন। তাঁর আর্তনাদে ছুটে আসে সহপাঠীরা। বাঁচাতে গিয়ে আরও এক ছাত্র গুরুতরভাবে অগ্নিদগ্ধ হন। দু’জনকেই আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে ভুবনেশ্বর AIIMS-এ।

ওড়িশা সরকার তাঁদের চিকিৎসার সমস্ত খরচ বহন করবে বলে ঘোষণা করেছে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত অধ্যাপককে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং কলেজের প্রিন্সিপাল দিলীপ ঘোষকে সাসপেন্ড করেছে উচ্চশিক্ষা দফতর। গঠন করা হয়েছে তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি।

এই ঘটনার পর ওড়িশার শিক্ষা ব্যবস্থার অভ্যন্তরীণ অভিযোগ পদ্ধতির নির্ভরযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সমাজের নানা মহল থেকে কড়া শাস্তির দাবি উঠেছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement