ভাইরাল খবর
AI-তে বিকৃত ছবি ছড়ানোর অভিযোগে অবশেষে পুলিশের দ্বারস্থ TMCP-র বহিষ্কৃত নেত্রী রাজন্যা
ডিজিটাল ডেস্কঃ অবশেষে পুলিশি পদক্ষেপের পথে হাঁটলেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) বহিষ্কৃত নেত্রী রাজন্যা হালদার (Rajonya Halder)। কসবার আলোচিত ধর্ষণকাণ্ডে মুখ খোলার পর থেকেই তিনি বারবার অভিযোগ করে আসছিলেন, তাঁর AI প্রযুক্তি-নির্ভর বিকৃত ছবি ইচ্ছাকৃতভাবে ছড়ানো হয়েছে। এবার সেই অভিযোগই আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরলেন আইনের কাছে। শনিবার সোনারপুর থানায় সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করলেন রাজন্যা।
অভিযোগপত্রে রাজন্যা লিখেছেন, পরিকল্পিতভাবে তাঁর সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি নষ্ট করতে এই ঘৃণ্য প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। তাঁর দাবি, টিএমসিপির কিছু প্রাক্তন সহকর্মীই এই কাজের সঙ্গে জড়িত। তাঁদের কেউ কেউ এই ভুয়ো ছবি ‘মূল ছবি’ বলে দাবি করে চক্রান্ত আরও গভীর করছেন। যদিও তিনি কারও নাম অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেননি, তবে পুলিশ চাইলে সন্দেহভাজনদের নাম জানাতে তিনি প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ খলিস্তানিদের রোষে কপিল শর্মা! কানাডায় ক্যাফেতে গুলি, এবার খোলাখুলি হুমকি পান্নুনের
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজন্যার বক্তব্য, “কেউ যদি আমার সম্মান নষ্ট করতে চায়, আমি চুপ করে থাকব না। আইনত পদক্ষেপ নিতেই হয়েছিল।” পুলিশকে তিনি তাঁর বিকৃত করা কয়েকটি ছবি ইতিমধ্যেই জমা দিয়েছেন, যাতে ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে তার সত্যতা যাচাই করা যায়।
প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুন রাজ্য রাজনীতিতে সাড়া ফেলে দিয়ে রাজন্যা দাবি করেন, টিএমসিপি-র নেতৃত্ব তাঁর বিরুদ্ধে AI-generated nude images ছড়িয়েছে। তিনি বলেন, এই ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে কলেজের জুনিয়র ছাত্রদের ফোনে, যাতে তিনি আরও লাঞ্ছিত হন।
বিষয়টি নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে চাপানউতর শুরু হলে, কলকাতা পৌরনিগমের ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের কন্যা প্রিয়দর্শিনী ঘোষ মন্তব্য করেন, এতদিন চুপ করে থাকার পেছনে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্য’ থাকতে পারে। যদিও সেই মন্তব্য রাজন্যার তরফে নস্যাৎ করা হয়।
এখন দেখার, পুলিশ এই ঘটনায় কতটা দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়। সাইবার অপরাধ এবং রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র— দুই দিক থেকেই বিষয়টি এখন তদন্তের আওতায়।
