রাজ্যের খবর
ফের রেল দুর্ঘটনা! দুই মালগাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ, মৃত ২ চালক
নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার পর এবার ঝাড়খণ্ড। ফের ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা দক্ষিণবঙ্গে। এনিয়ে গত তিন দিনে দুটি ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটলো বলে খবর। দুই মালগাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে ভয়াবহ দুর্ঘটনা সাহেবগঞ্জে। এদিন মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৩টে নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রেলের নিরাপত্তা নিয়ে।
জানা গিয়েছে, একই লাইনে দুটি ট্রেন চলে আসায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। দুই মালগাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে আগুন ধরে যায় ইঞ্জিনে। অগ্নিদগ্ধ হয়ে মালগাড়ির দুই চালক-সহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে গুরুতর জখম
আরও এক চালক এবং আরও ৫। ওই চালকও অগ্নিদগ্ধ হন । মৃতদের নাম , বাড়ি বোকারোর-এ এবং বিএল মাল, তিনি পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা । জখমদের মধ্যে রয়েছেন সিআইএস জওয়ান ও রেলের কয়েকজন কর্মী। দুর্ঘটনায় যাঁরা আহত হয়েছেন. তাঁদের বারহেট সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
রেল সূত্রের খবর, এদিন মঙ্গলবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে বারহেটের সোনাজোড়ি এলাকায়। এদিন ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা জেলার লালমাটিয়া থেকে কয়লা বোঝাই একটি মালগাড়ি ফরাক্কার এনটিপিসির দিকে যাচ্ছিল। ওপর একটি লুপ লাইনে একটি মালগাড়ি দাঁড়িয়েছিল।
দ্রুতগতিতে যাওয়া ফরাক্কাগামী ট্রেনটি ওই মালগাড়িতে গিয়ে সজোরে ধাক্কা মারে। তৎক্ষণাৎ মালগাড়ির ইঞ্জিনে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে কয়লা বোঝাই মালগাড়িতেও। দুর্ঘটনার জেরে, ওই ট্রেনের একাধিক কামরা লাইনচ্যুত হয়। একটি মালগাড়়ির ইঞ্জিন দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
আরও পড়ুন – জঙ্গলে ট্রেনের হুইসল শুনে চমকে উঠলো হাতি! পেছোতেই মৃত্যু বনকর্মীর
সূত্রের খবর, রেল দুর্ঘটনার পর মালগাড়িতে থাকা কয়লায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। এর সঙ্গে সঙ্গে পৌঁছান রেলের আধিকারিক, রেল সুরক্ষা বাহিনীর জওয়ানরা। এরপর ওই এলাকায় পাঠানো হয়েছে রিলিফ ট্রেনও। এখনও চলছে উদ্ধার কাজ ।
উল্লেখ্য, গত রবিবার বেঙ্গালুরু এসএমভিটি গামী কামাখ্যা এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। কটকের নেরগুন্ডি স্টেশনের কাছে লাইনচ্যুত ট্রেনের একাধিক কামরা। এই দুর্ঘটনার মৃত্যু হয় এক যাত্রীর। জখম হয়েছেন সাত যাত্রী। ফের তিন দিনের মধ্যেই আরও এক ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটলো। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে শুরু করেছে রেলের নিরাপত্তা নিয়ে।
আরও পড়ুন – হাওড়া-শিয়ালদহ ডিভিশনে বাতিল শতাধিক ট্রেন!
