গা ঢাকা দিয়েও শেষরক্ষা নয়, বেহালা তরুণী হত্যায় গ্রেপ্তার প্রেমিক
Connect with us

খুন

গা ঢাকা দিয়েও শেষরক্ষা নয়, বেহালা তরুণী হত্যায় গ্রেপ্তার প্রেমিক

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ দীর্ঘদিনের লুকোচুরি শেষ, অবশেষে গ্রেপ্তার হল বেহালা তরুণী হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত কার্তিক দাস। দুই মাসেরও বেশি সময় গা ঢাকা দিয়েও শেষরক্ষা হয়নি তার। কলকাতা পুলিশ তার সন্ধান দিলে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়ল অভিযুক্ত।

ঘটনার সূত্রপাত জানুয়ারি মাসে। বেহালার ডায়মন্ড পার্ক এলাকায় স্বামীর সঙ্গে থাকার জন্য একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছিলেন এক তরুণী। তবে একদিন ধরে কোনো সাড়া শব্দ না পাওয়ায় সন্দেহ হয় বাড়ির মালিকের। ২৩ জানুয়ারি দুপুরে ঘরের সামনে গিয়ে তিনি দেখেন রক্তের দাগ। দরজা খুলতেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিভীষিকাময় দৃশ্য—মেঝেতে পড়ে আছে তরুণীর রক্তাক্ত দেহ। নিহতার হাত-পা দড়ি দিয়ে বাঁধা ছিল, মুখে গোঁজা ছিল কাপড়, গলা কেটে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় তাকে। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ, সঙ্গে লালবাজারের গোয়েন্দারাও। তদন্তে ঘরের ভেতর থেকে উদ্ধার হয় রক্তমাখা ধারালো অস্ত্র, তরুণীর মোবাইল এবং মদের বোতল।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, তরুণীর দেওয়া আধার কার্ডে তার নাম মলিনা দাস লেখা ছিল। তবে রাতের মধ্যেই ঘটনার মোড় ঘুরে যায়, যখন এক ব্যক্তি পুলিশকে জানান, নিহত যুবতী তার মেয়ে, এবং তার আসল নাম ছায়া সর্দার। তাদের বাড়ি বেহালার শীলপাড়ায়, এবং তরুণী পরিচারিকার কাজ করতেন।

আরও পড়ুনঃ ভাড়া নিয়ে বেরিয়েছিলেন, ঘরে ফিরলেন না—নিউ টাউনে রহস্যমৃত্যু

Advertisement
ads

নিহতা বাড়ির মালিককে জানিয়েছিলেন, তার স্বামীর নাম কার্তিক দাস। তবে ঘটনার পর থেকেই সেই যুবকের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না, ফলে পুলিশ সন্দেহ করতে শুরু করে, তিনি আসলেই স্বামী ছিলেন নাকি লিভ-ইন পার্টনার। প্রায় আড়াই মাস চেষ্টার পর অবশেষে কার্তিক দাসকে গ্রেপ্তার করল কলকাতা পুলিশ। জেরায় নিজের অপরাধের কথা স্বীকারও করেছে সে। হত্যার নেপথ্যে ব্যক্তিগত শত্রুতা, সম্পর্কের টানাপোড়েন নাকি অন্য কোনও রহস্য—সেই বিষয়ে তদন্ত চলছে।

Continue Reading
Advertisement