অনুব্রত ফোন কেলেঙ্কারিতে সরব তৃণমূল ছাত্রনেতা, আইসিকে নিয়ে জ্বালানি ঝড়
Connect with us

ভাইরাল খবর

অনুব্রত ফোন কেলেঙ্কারিতে সরব তৃণমূল ছাত্রনেতা, আইসিকে নিয়ে জ্বালানি ঝড়

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বোলপুর থানার আইসি লিটন হালদারকে (Liton Halder) ঘিরে বিতর্ক যেন থামার নাম নিচ্ছে না। অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বিতর্কিত ফোন কল-কাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার একই পথে হাঁটলেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বীরভূম জেলা সভাপতি বিক্রমজিৎ সাউ (Bikramjit Sau)। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি প্রকাশ্যে আইসি-কে দুর্নীতিপরায়ণ বলে কটাক্ষ করেন এবং তাঁকে চ্যালেঞ্জও জানান।

বিক্রমজিতের বক্তব্যে উঠে এসেছে একাধিক গুরুতর অভিযোগ। তিনি বলেন, “এই লিটন হালদার প্রতিটি বালি ও পাথর মাফিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলে। সে একজন দুর্নীতিগ্রস্ত অফিসার। অনুব্রত মণ্ডল নামক ব্র্যান্ডকে ধ্বংস করতে উঠে পড়ে লেগেছে সে।”

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি ফোনালাপ ভাইরাল হয়, যেখানে অভিযোগ অনুযায়ী, অনুব্রত মণ্ডল বোলপুর থানার আইসি-কে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। সেই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) তরফে অনুব্রতকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলা হলে তিনি সেই নির্দেশ মেনে নেন। এর পরেই ছাত্রনেতার এই প্রকাশ্য আক্রমণ নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিও বার্তায় বিক্রমজিৎ বলেন, “তোমার দম থাকলে অনুব্রতর বিরুদ্ধে সত্যিটা সামনে আনো। তুমি আমাদের শক্তিকে এডিটিং করে দুর্বল দেখাতে চাইছো। তুমি যদি সত্যিকারের সাহসী হও, তবে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ বা জেলার ছাত্রদের বিরুদ্ধেও এফআইআর করে দেখাও।”

Advertisement
ads

আরও পড়ুনঃনিউ টাউনে কেন্দ্রীয় ফরেন্সিক ল্যাবরেটরি উদ্বোধন, প্রযুক্তি নির্ভর তদন্তে জোর শাহের

তবে এই তীব্র ভাষার ভিডিও বার্তার পরে কিছুটা পিছু হটেন ওই ছাত্রনেতা। পরে তিনি বলেন, “আমার কথায় যদি কেউ আহত হয়ে থাকেন, আমি দুঃখিত। কারও আবেগে আঘাত দেওয়া আমার উদ্দেশ্য ছিল না।”

এই ঘটনার জেরে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে যদি কঠোর পদক্ষেপ না করা হয়, তবে এই ধরণের রাজনৈতিক ভাষার অপপ্রয়োগ আরও বাড়বে। পুলিশের মতো সংস্থাগুলি নেতাদের সহজ টার্গেটে পরিণত হতে পারে। বিশেষ করে ছাত্র রাজনীতির আড়ালে রাজনৈতিক ভাষ্য যে দিন দিন উগ্র হয়ে উঠছে, তার দৃষ্টান্ত হয়ে উঠছে এই ঘটনা।

বিরোধী শিবিরের একাংশের প্রশ্ন—যদি অনুব্রতর অডিও ভুয়ো হয়, তবে কেন তিনি ক্ষমা চাইলেন? আর ছাত্রনেতার এই মন্তব্য দলের অনুমোদন পেয়েই কি করা হচ্ছে? না কি, এটি ব্যক্তিগত উদ্যমে এক ‘রাজনৈতিক আনুগত্য’ প্রদর্শন?

Advertisement
ads

যা পরিস্থিতি, তাতে বোলপুরের এই অডিও-কাণ্ড আগামী দিনে আরও রাজনীতিক চাপানউতোর তৈরি করবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

Continue Reading
Advertisement