TMCP থেকে বহিষ্কৃত রাজন্যা কি এবার পদ্ম শিবিরে? বিজেপি নেতার ফোনে জল্পনার আগুন
Connect with us

রাজনীতি

TMCP থেকে বহিষ্কৃত রাজন্যা কি এবার পদ্ম শিবিরে? বিজেপি নেতার ফোনে জল্পনার আগুন

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বহিষ্কৃত নেত্রী রাজন্যা হালদার (Rajnya Halder) কি শেষ পর্যন্ত বিজেপির দিকে পা বাড়াচ্ছেন? রাজ্য রাজনীতির আঙিনায় এই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে জোরকদমে। যদিও এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি, তবে শুক্রবার বিজেপি নেতা সজল ঘোষ (Sajal Ghosh)-এর সঙ্গে তাঁর ফোনালাপ সেই জল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

এই ফোনকথা ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। যদিও সজল ঘোষ বিষয়টিকে যতটা সম্ভব ব্যক্তিগত বলেই দাবি করেছেন। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “রাজন্যাকে আমি অনেকদিন ধরেই চিনি। বহুবার টেলিভিশন বিতর্কে একসঙ্গে গিয়েছি। ওর বক্তব্য শুনে মনে হয়েছিল, থানায় অভিযোগ জানানো উচিত। সেই কারণেই ফোন করে বলেছি— চুপ করে বসে থেকো না।”

আরও পড়ুনঃ আইআইএম হস্টেলে ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ছাত্র, প্রশ্নের মুখে নিরাপত্তা

তবে রাজন্যার বিজেপিতে যোগদানের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই সজলের কণ্ঠে কৌশলী জবাব, “আমি তো দলে কাউকে নেওয়ার ক্ষমতায় নেই। সেই সিদ্ধান্ত দল নেবে। তবে রাজন্যা যুক্তি দিয়ে কথা বলতে পারে, তার মতো মানুষ রাজনীতিতে থাকলে খারাপ হয় না।” তাঁর এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছেন, সরাসরি না বললেও পরোক্ষে রাজন্যার যোগদানে ইতিবাচক বার্তাই দিলেন সজল ঘোষ।

Advertisement
ads

সম্প্রতি কসবার আইন কলেজে ছাত্রীর উপর নির্যাতনের ঘটনায় মুখ খুলে শোরগোল ফেলে দেন রাজন্যা। তাঁর অভিযোগ, কলেজ ক্যাম্পাসে AI প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিকৃত ছবি বানিয়ে জুনিয়রদের দেখানো হত। এই অভিযোগের জেরে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনার পারদ চড়ে। আর তারপরেই সজলের এই ‘সহানুভূতিশীল’ ফোনকথা।

যদিও এই বিষয়ে রাজন্যা এখনও মুখ খোলেননি। কিন্তু রাজনৈতিক কৌশলবিদরা মনে করছেন, রাজন্যা যদি বিজেপিতে যোগ দেন, তা হলে তা হবে তৃণমূলের কাছে বড় ধাক্কা। তবে এই মুহূর্তে সবটাই জল্পনা, নিশ্চিত কিছু নয়। তবু প্রশ্ন থেকেই যায়— রাজন্যার পরবর্তী পদক্ষেপ কি রাজনীতিতে নতুন চমক আনবে?

Continue Reading
Advertisement