এদের বিসি বলুন, আর হিসেব রাখুন ! ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে হুংকার তৃণমূল অভিষেকের
Connect with us

ভাইরাল খবর

এদের বিসি বলুন, আর হিসেব রাখুন ! ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে হুংকার তৃণমূল অভিষেকের

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election) পর বদলে যাওয়া রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রথম ২১ জুলাইয়ের (21 July Rally) মঞ্চ থেকেই দলত্যাগী নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। মঙ্গলবার বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের শহিদ দিবসের সভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে নিশানা করে একের পর এক আক্রমণ করেন তিনি।

অভিষেক বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) কোনও ব্যক্তির দল নয়, এটি মানুষের আবেগ ও দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের ফল। যারা দলের প্রতীক ও পরিচয় ব্যবহার করে পরে অন্য শিবিরে চলে গিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

দলত্যাগীদের নিয়ে অভিষেকের বক্তব্য, তাঁরা মেরুদণ্ডহীন এবং রাজনৈতিক বিশ্বাস হারিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) কাছে আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, যারা দল ছেড়ে গিয়েছেন, তাঁদের আর যেন ভবিষ্যতে তৃণমূলে ফেরানো না হয়।

সভামঞ্চ থেকে দলত্যাগীদের কটাক্ষ করে কর্মীদের উদ্দেশে অভিষেক বলেন, তাঁদের ‘বালিশ চাটা’ বলে ডাকতে হবে, সংক্ষেপে ‘বিসি’ (BC)। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এছাড়াও তিনি বলেন, “নোটবুক পকেটে রাখুন, সঠিক সময়ে হিসেব হবে”।

Advertisement
ads ads

এর পাশাপাশি বিজেপি (BJP) এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির (Central Agencies) বিরুদ্ধেও সরব হন অভিষেক। তাঁর অভিযোগ, ইডি (ED), সিবিআই (CBI), আয়কর দফতর (Income Tax) এবং অন্যান্য সংস্থার চাপ দিয়েও তৃণমূলকে দুর্বল করা যাবে না।

তিনি বলেন, “ফুটপাথে থেকেও লড়াই করব, বিজেপিকে হারাব।” বাংলার রাজনীতি থেকে বিজেপিকে সরানোর লড়াই চলবে বলেও দাবি করেন তিনি।

অভিষেক আরও জানান, দলের কর্মীরা ভয় না পেয়ে মানুষের পাশে থাকবেন। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই তৃণমূলের শক্তির মূল উৎস এবং দলের ভবিষ্যৎ লড়াই তাঁর নেতৃত্বেই চলবে।

এবারের ২১ জুলাই দুই শিবিরের পৃথক কর্মসূচির কারণে বিশেষ রাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে। একদিকে কালীঘাট তৃণমূলের সমাবেশ, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন পৃথক সভা—এই আবহে দুই পক্ষের রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে।

Advertisement
ads ads
Continue Reading
Advertisement ads