ভাইরাল খবর
শুভেন্দুর নেতৃত্বে চটকল পুনরুজ্জীবনের সংকল্প! ২০ হাজার কর্মহীনের মুখে অন্ন জোগানোর লক্ষ্য
ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যের রুগ্ণ চটকলগুলির (Jute Mills) ভবিষ্যৎ ফেরাতে এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘বিকশিত ভারত, বিকশিত বাংলা’ সংকল্পকে সামনে রেখে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছেন নতুন সরকারের শ্রমমন্ত্রী (Labour Minister) অর্জুন সিং। আগামী ১০ জুলাইয়ের মধ্যে রাজ্যের বন্ধ থাকা ১৮টি জুটমিল চালু করার লক্ষ্য নিয়ে ম্যারাথন বৈঠক শুরু করেছেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার কলকাতার নিউ সেক্রেটারিয়েটে (New Secretariat) শ্রমমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এক ত্রিপাক্ষিক বৈঠক (Tripartite Meeting) অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বরানগর জুটমিল, জগদ্দল জুট ইন্ডাস্ট্রিজ এবং এমকো জুটমিল পুনরায় খোলার বিষয়ে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। এর ফলে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার চটকল শ্রমিক তাঁদের রুজি-রুটি ফিরে পেতে চলেছেন।
The Naihati Jute Mill has remained closed since June 6. Today, a meeting was held at the New Secretariat in Kolkata in the presence of the Minister of State for the Labour Department, Shri Bhaskar Bhattacharya, and myself, with representatives of the mill management and the… pic.twitter.com/WIXXWIBb8o
— Arjun Singh (@ArjunsinghWB) June 29, 2026
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যেই এই তিনটি জুটমিলের দরজা খুলে যাবে এবং মিল কর্তৃপক্ষ কারখানার গেটে আনুষ্ঠানিক নোটিস (Notice) জারি করবে। প্রথম দফায় রক্ষণাবেক্ষণ বা মেইনটেনেন্সের (Maintenance) কাজ চালু হওয়ার পর ধাপে ধাপে পুরোদমে উৎপাদন (Production) শুরু হবে। এই বৈঠকে বিশেষ শ্রম কমিশনার আশিস সরকার ও বারাকপুরের ডেপুটি শ্রম কমিশনার মনোজ সাহা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সোমবার শ্রমদপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী ভাস্কর ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে হওয়া বৈঠকে ৩ জুলাই থেকে নৈহাটি জুটমিল চালুর সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি, কাঁকিনাড়া ও জগদ্দলের অ্যালায়েন্স জুটমিলে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু হয়ে গেছে। শুধু বারাকপুর নয়, হাওড়ার দাশনগরের বন্ধ থাকা ‘ভারত জুটমিল’ নিয়েও বিশেষ বৈঠক করেছেন অর্জুন সিং। সেখানে শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি, প্রভিডেন্ট ফান্ড (PF) ও গ্র্যাচুইটি সংক্রান্ত সমস্যা খতিয়ে দেখতে অবিলম্বে কারখানা পরিদর্শনের (Inspection) নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। শ্রমমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইউনিয়ন, ম্যানেজমেন্ট (Management) ও শ্রমিক—সব পক্ষকে ভারসাম্য বজায় রেখে চলতে হবে। শ্রমিকদের যেমন প্রাপ্য দেওয়া হবে, তেমনই তাঁদেরও দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে।
