রাজনীতি
মমতার আশঙ্কাই কি সত্যি হলো? তৃণমূল প্রার্থী শওকত মোল্লার কনভয়ে হামলা
ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election) দামামা বাজতেই ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর (Sensitive) এলাকা ভাঙড়। রবিবার রাতে চালতাবেড়িয়া অঞ্চলে নির্বাচনী প্রচার (Election Campaign) সেরে ফেরার পথে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শওকত মোল্লার কনভয়ে (Convoy) হামলার অভিযোগ ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী আহত (Injured) হয়েছেন বলে জানা গেছে।
তৃণমূল শিবিরের দাবি, এই পুরো আক্রমণটি ছিল সম্পূর্ণ পরিকল্পিত (Planned)। শওকত মোল্লা সরাসরি ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট বা আইএসএফ-এর (ISF) দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনের আগে ইচ্ছাকৃতভাবে এলাকায় অশান্তি (Unrest) সৃষ্টি করা এবং তাঁকে শারীরিকভাবে নিকেশ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “এটি একটি সাজানো হামলা। আমাদের কর্মীদের লক্ষ্য করে আঘাত করা হয়েছে। আমরা দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতারের (Arrest) দাবি জানাচ্ছি, অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনে (Movement) নামব।”
উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, ভাঙড়ে শওকত মোল্লার প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে। রবিবারের ঘটনা যেন সেই আশঙ্কারই প্রতিফলন। ঘটনার প্রতিবাদে তৃণমূল সমর্থকরা রাতেই চালতাবেড়িয়ায় পথ অবরোধ (Road Blockade) শুরু করেন, যার ফলে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি (Suffering) চরম পর্যায়ে পৌঁছায়।
অন্যদিকে, আইএসএফ নেতৃত্ব এই সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তাদের দাবি, ভোটের আগে জনগণের সহানুভূতি (Sympathy) আদায়ের জন্য তৃণমূল এই ধরনের ‘হামলার নাটক’ করছে। এই ঘটনার সঙ্গে আইএসএফের কোনো যোগসূত্র নেই বলেই তারা স্পষ্ট জানিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিশাল পুলিশবাহিনী (Police Force) মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসনের (Administration) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ঘটনার তদন্ত (Investigation) শুরু হয়েছে এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবরকম কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।


