দেশের খবর
‘আম আদমির কথা বলা কি অপরাধ?’ পদ হারিয়ে কেজরিওয়ালকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ রাঘব চাড্ডার
ডিজিটাল ডেস্কঃ সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা বলা এবং ‘আম আদমি’র স্বার্থে আওয়াজ তোলাই কি কাল হলো রাঘব চাড্ডার? রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার (Deputy Leader) পদ হারানোর পর সরাসরি আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নিশানায় নিলেন তিনি। নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) রাঘব বলেন, “হয়তো আমার মুখ বন্ধ করা যাবে, কিন্তু আমাকে থামানো যাবে না।”
Silenced, not defeated
My message to the ‘aam aadmi’
—
खामोश करवाया गया हूँ, हारा नहीं हूँ‘आम आदमी’ को मेरे संदेश pic.twitter.com/poUwxsu0S3
— Raghav Chadha (@raghav_chadha) April 3, 2026
সংসদে (Parliament) গিগ কর্মীদের অধিকার, জনপ্রতিনিধিদের দায়বদ্ধতা এবং টেলিকম রিচার্জ কেলেঙ্কারি নিয়ে সরব হয়ে ইদানীং ব্যাপক জনপ্রিয় (Popular) হয়ে উঠেছিলেন রাঘব। তাঁর উত্থাপিত ইস্যুতে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ করায় জনগণের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছিল। কিন্তু আপ-এর অভিযোগ, আবগারি দুর্নীতি মামলায় (Excise Case) কেজরিওয়াল ও মণীশ সিসোদিয়ার গ্রেপ্তারির সময় সংসদে তিনি যথেষ্ট সোচ্চার হননি। জেল থেকে মুক্তির পর কেজরিওয়ালের সঙ্গে দেখাও করেননি রাঘব। এই দূরত্বের (Distance) জেরেই বৃহস্পতিবার তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে অশোক মিত্তলকে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়। এমনকি রাজ্যসভার সচিবালয়কে (Secretariat) চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে, দলের জন্য বরাদ্দ সময় থেকে যেন রাঘবকে আর বলতে না দেওয়া হয়।
এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় এক ভিডিও বার্তায় (Video Message) ক্ষোভ উগরে দিয়ে রাঘব বলেন, “আমি বুঝতে পারছি না কেন আমার কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে। আমি বিমানবন্দরের খাবারের চড়া দাম বা ব্যাঙ্কের বিষয় নিয়ে সাধারণ মানুষের পক্ষে কথা বলেছি। এতে দলের কী ক্ষতি হলো?” ২০১৫ সালে কেজরিওয়ালের হাত ধরে উত্থান হওয়া এই তরুণ সাংসদ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, পদ গেলেও তিনি মানুষের পাশে থাকবেন। একসময়ের জাতীয় মুখপাত্র (National Spokesperson) ও দিল্লি জলবোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান থাকা রাঘব এখন কার্যত নিজের দলেই ব্রাত্য। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে তাঁর এই সরাসরি সংঘাত (Conflict) আম আদমি পার্টির অভ্যন্তরীণ সমীকরণ বদলে দিতে পারে।
