ভাইরাল খবর
শুভেন্দু-শমীকের ফোন ট্র্যাকিংয়ের অভিযোগ! প্রমাণের পেনড্রাইভ নিয়ে কমিশনে বিজেপি নেতৃত্ব
ডিজিটাল ডেস্কঃ বিধানসভা ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) যত এগিয়ে আসছে, ততই রাজ্যের প্রশাসন ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর তীব্র হচ্ছে। এবার সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করল বিজেপি (West Bengal BJP)। মঙ্গলবার রাজ্যের সিইও (CEO) দফতরে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য এবং শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করলেন, তাঁদের ফোন-লোকেশন ট্র্যাক (Phone Location Track) করা হচ্ছে।
শুভেন্দুর অভিযোগ, শুধু তিনি বা শীর্ষ নেতৃত্বই নন, দলীয় মণ্ডল স্তরের নেতাদের ফোনের অবস্থানও নিয়মিতভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। নির্দিষ্টভাবে এসটিএফ-এর (STF) জাভেদ শামিম এবং আইবি-র (IB) বিনীত গোয়েলের মতো উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের নাম তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, তাঁদের কাছে এই নজরদারির (Surveillance) পাল্টা তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সিআইডি, এসটিএফ ও ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটিতে কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তিনি। তাঁর আরও অভিযোগ, ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটি মনোজ ভার্মা সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিয়ে শাসক দলকে বাড়তি সুবিধা (Privilege) পাইয়ে দিচ্ছেন।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ এনেছেন শুভেন্দু। তিনি মমতার ভাষণের কিছু ক্লিপ ও পেনড্রাইভ জমা দিয়ে দাবি করেন, মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীর (Central Paramilitary Forces) বিরুদ্ধে মহিলাদের হাতা-খুন্তি নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার উসকানি দিচ্ছেন। এছাড়া ময়নাগুড়ির সভায় মমতার দেওয়া ‘পোস্টার লাগিয়ে বলতে হবে আমি বিজেপি করি না’— এই মন্তব্যটিকে বিজেপি কর্মীদের প্রতি সরাসরি খুনের হুমকি (Death Threat) হিসেবে চিহ্নিত করেছেন শুভেন্দু।
শুভেন্দুর দাবি, অতীতে রাহুল সিনহা বা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বক্তব্য ‘মিস কোট’ (Misquote) করে তৃণমূল অভিযোগ করলেই যদি তাঁদের প্রচারে নিষেধাজ্ঞা (Campaign Ban) জারি করা হয়, তবে মমতার ক্ষেত্রে কেন কমিশন নীরব? এই দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলে মমতার প্রচারে অবিলম্বে নিষেধাজ্ঞা জারির দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। জঙ্গলমহল থেকে মেদিনীপুর— একাধিক পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধেও কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছেন নন্দীগ্রামের এই প্রার্থী।


