প্রাক্তন স্ত্রীকে ‘মোটু’ লিখে অপমান! আদালতের রায়ে যুবকের আর্থিক জরিমানা
Connect with us

ভাইরাল খবর

প্রাক্তন স্ত্রীকে ‘মোটু’ লিখে অপমান! আদালতের রায়ে যুবকের আর্থিক জরিমানা

প্রাক্তন স্ত্রীকে কটূক্তি ও অপমান করার দায়ে তুরস্কের এক যুবককে আদালত আর্থিক জরিমানা করল। মোবাইলে ‘টমবিক’ নামে সেভ ছিল স্ত্রীর নাম, আদালত বলল— এটি মর্যাদাহানির প্রমাণ।

Dipa Chakraborty

Published

on

বিবাহবিচ্ছেদ (Divorce) হওয়ার পরেও প্রাক্তন স্ত্রীকে (Ex-Wife) অপমান করার দায়ে তুরস্কের (Turkey) এক যুবককে আর্থিক জরিমানা করল স্থানীয় আদালত (Court)। মাস কয়েক আগে দম্পতির বিবাহবিচ্ছেদ আইনি ভাবে স্বীকৃতি পেলেও, প্রাক্তন স্বামীর বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতন (Mental Harassment)-এর অভিযোগ তুলেছিলেন মহিলা।

প্রাক্তন দম্পতির একটি সন্তানও রয়েছে। আদালতে স্ত্রী প্রমাণ হিসেবে বেশ কিছু বার্তা (Messages) উপস্থাপন করেন। সেখানে দেখা যায়, যুবক স্ত্রীকে লিখেছিলেন— “বাড়ি থেকে বের হয়ে যাও”, “তোমার মুখ আর দেখতে চাই না”, “শয়তানের মুখ দেখলাম” ইত্যাদি কটূক্তি। অন্যদিকে যুবকের দাবি ছিল, স্ত্রী নাকি পরকীয়ায় (Extramarital Affair) লিপ্ত। কিন্তু আদালত তদন্তে জানতে পারে, ওই মহিলা কোনও পরকীয়ায় জড়িত ছিলেন না।

আদালত আরও দেখতে পায়, যুবক তাঁর মোবাইল ফোনে (Mobile Phone) প্রাক্তন স্ত্রীর নাম ‘টমবিক’ (Tombik) নামে সেভ করে রেখেছিলেন। তুর্কি ভাষায় ‘টমবিক’ শব্দের অর্থ মোটা/স্থূলকায় (Fat/Obese)। বিচারকের পর্যবেক্ষণ— এটি স্পষ্ট অপমান এবং মর্যাদাহানি (Defamation)-র ইঙ্গিত।

তদন্তে উঠে আসে, যাঁকে নিয়ে যুবক পরকীয়ার অভিযোগ করছিলেন, তিনি আসলে এক বই বিক্রেতা (Book Seller) তথা ডেলিভারি বয় (Delivery Boy)। মহিলা তাঁর কাছ থেকে বই কিনতেন, এবং সেই সূত্রে তাঁদের মধ্যে স্বাভাবিক কথোপকথন হতো। কিন্তু যুবক ভিত্তিহীন সন্দেহে স্ত্রীকে অপমান করেছেন।

Advertisement
ads

ঠিক কত টাকা জরিমানা করা হয়েছে, তা গোপন রাখা হয়েছে। শুনানি হয়েছে বন্ধ আদালত কক্ষে (Closed Courtroom)।

তুরস্কের আইনে বলা আছে— কোনও শব্দ, আচরণ বা কাজের মাধ্যমে কারও মর্যাদাহানি করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় এবং ২ বছর কারাদণ্ডআর্থিক জরিমানা হতে পারে।

Continue Reading
Advertisement