খগেন-শঙ্করের উপর হামলা, ‘মানুষের ক্ষোভ’ বলেই দায় এড়াল উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ
Connect with us

রাজনীতি

খগেন-শঙ্করের উপর হামলা, ‘মানুষের ক্ষোভ’ বলেই দায় এড়াল উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ উত্তরবঙ্গে (North Bengal) বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে হামলার মুখে পড়লেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু (BJP MP Khagen Murmu) ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ (MLA Shankar Ghosh)। সোমবার নাগরাকাটার (Nagrakata) বামনডাঙায় (Bamandanga) বন্যা দুর্গতদের খোঁজখবর নিতে গিয়ে তাঁদের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। হামলার ফলে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় খগেন মুর্মুকে।

বিজেপির (BJP) তরফে সরাসরি অভিযোগ তোলা হয়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) বিরুদ্ধে। বিজেপির দাবি, এটা তৃণমূলের ‘পরিকল্পিত হামলা’ (Planned Attack)। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়েছেন উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ (Udayan Guha)। তাঁর কথায়,
“এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। কেউ কি পতাকা হাতে ছিল? এটা জনগণের ক্ষোভ (People’s Anger)। ওঁরা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে এমন অভিযোগ করছে।”

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বামনডাঙায় খগেন মুর্মু ও শঙ্কর ঘোষ পৌঁছাতেই তাঁদের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছোঁড়া হয় (Stone Pelting)। চালানো হয় ভাঙচুর (Vandalism)। জুতো ছোঁড়ার অভিযোগও উঠেছে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, সাংসদ খগেন মুর্মুর মাথা ফেটে রক্ত ঝরছে।

তাঁকে তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে জানা যায়, সাংসদের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক (Critical)। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় পাঠানো হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী (Police Force)। উত্তেজনা থাকায় চাপ বেড়েছে প্রশাসনের উপরেও।

Advertisement
ads

এই ঘটনার পর বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Sukanta Majumdar) শিলিগুড়ি বিমানবন্দর থেকে আহতদের দেখতে হাসপাতালে রওনা দেন। দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন,
“উত্তরবঙ্গের মানুষ যখন দুর্যোগে ভুগছেন, তখন মুখ্যমন্ত্রী ব্যস্ত কার্নিভাল নিয়ে। আমাদের সাংসদ-বিধায়ক সহানুভূতি জানাতে গিয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন—এটাই রাজ্যে আইনের শাসনের চিত্র।”

পাশাপাশি জানা যাচ্ছে, ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লি থেকে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব (BJP Central Leadership) রাজ্য নেতাদের কাছ থেকে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করেছে।

এই ঘটনার পর উত্তরবঙ্গে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে, যেখানে প্রশাসনের ভূমিকা, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য এবং ‘জনগণের ক্ষোভ’—সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে জটিল পরিস্থিতি।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement