খুন
কৃষ্ণনগর ছাত্রী খুনে নতুন মোড়! ঘটনার আগের দিন ট্রেনে উঠেছে দাবি অভিযুক্ত দেশরাজের
ডিজিটাল ডেস্কঃ কৃষ্ণনগরের ছাত্রী খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড় সামনে এল। অভিযুক্ত দেশরাজ সিং (Deshraj Singh) খুনের আগের দিনই বাবাকে জানিয়েছিল, উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরের বাড়ি ফিরছে সে। এমনকি ট্রেনে উঠেছে বলেও ফোনে আশ্বস্ত করেছিল বাবাকে। কিন্তু পরদিনই মানিকপাড়ার বাসিন্দা ঈশিতা মল্লিক (Ishita Mallik)-কে গুলি করে খুন করে দেশরাজ। ঘটনায় হতবাক তার পরিবার।
অভিযুক্তের বাবা রগুবিন্দর প্রতাপ সিং (Ragubindar Pratap Singh), পেশায় বিএসএফ জওয়ান, ফোনে জানান, ছেলে দোষী হলে কঠোর শাস্তি হোক—“আমার ছেলে হোক বা আমি, আইন ভাঙলে শাস্তি হওয়া উচিত।” রগুবিন্দর বর্তমানে রাজস্থানের জয়সলমির সীমান্তে কর্মরত। তিনি আরও বলেন, ২৪ তারিখ দেশরাজ ফোনে জানিয়েছিল ট্রেনে উঠেছে, এরপর থেকেই তার ফোন বন্ধ।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দেশরাজের স্বভাব ছিল রগচটা। মা পুনম সিং (Poonam Singh) ও বোনের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া করত। প্রতিবেশীদের মতে, সেই রাগ থেকেই খুনের ঘটনা ঘটতে পারে। যদিও মা পুনম দাবি করেছেন, “ঈশিতাকে চিনতাম না, আর কী ঘটেছে কিছু জানি না। শুধু জানি, ছেলে ওইদিন ট্রেনে যাওয়ার কথা ছিল।”
অভিযুক্ত পরিবারটি মূলত গোরখপুরের বাসিন্দা। ২০১৫ সালে রগুবিন্দর এনডিআরএফে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তারা হরিণঘাটা ও পরে ধরমপুর কলোনির ভাড়া বাড়িতে থাকছিল। মেয়ে আপাতত প্রয়াগরাজ সেনাস্কুলে পড়ে। খুনের সময় দেশরাজ একাই ভাড়া বাড়িতে ছিল।
পাড়ার লোকজনের একাংশ মনে করছেন, সহপাঠী ঈশিতার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কে টানাপোড়েন থেকেই খুনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তদন্তে এই দিকেও নজর দিচ্ছে পুলিশ।


