পাকিস্তান
আইন না জেনেই ৫ বছর বিচারপতির আসনে! পাকিস্তানের বিচারব্যবস্থায় অবিশ্বাস্য কেলেঙ্কারি
ডিজিটাল ডেস্কঃ পাকিস্তানের বিচারব্যবস্থায় এক চাঞ্চল্যকর জালিয়াতি (Scandal) সামনে এসেছে। ৫ বছর ধরে ইসলামাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি পদে আসীন তারিক মাহমুদ জাহাঙ্গিরির আইনের ডিগ্রিই (Law Degree) ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়েছে। সোমবার ১১৬ পাতার এক বিস্তারিত রায়ে (Judgment) আদালত জানিয়েছে, তাঁর এই ডিগ্রি ‘অ্যাব ইনিশিও’ বা শুরু থেকেই অবৈধ। ফলে তাঁর বিচারপতি পদে নিয়োগ আইনগতভাবে মূল্যহীন (Legal Nullity) হিসেবে গণ্য হয়েছে।
২০২০ সালে নিয়োগ পাওয়া এই বিচারপতির অতীত ঘেঁটে জানা যায়, ১৯৮৮ সালে তিনি জাল এনরোলমেন্ট নম্বর ব্যবহার করে পরীক্ষা দিতে গিয়ে বহিষ্কৃত (Expelled) হয়েছিলেন। পরে করাচি বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ৩ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করলে, তিনি অন্য এক ছাত্র ইমতিয়াজ আহমেদের পরিচয় (Identity) চুরি করে পুনরায় পরীক্ষা দেন। করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এবং ইসলামিয়া ল কলেজের অধ্যক্ষের দেওয়া নথিপত্র তাঁর এই জালিয়াতি (Forgery) প্রমাণ করেছে।
বারবার সুযোগ দেওয়া সত্ত্বেও জাহাঙ্গিরি তাঁর ডিগ্রির স্বপক্ষে কোনো আসল নথি (Original Documents) পেশ করতে পারেননি। উল্টে তিনি শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার জন্য নানা কৌশল (Strategy) অবলম্বন করেন। এই ঘটনা পাকিস্তানের উচ্চতর বিচারব্যবস্থায় নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা (Transparency) নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। বর্তমানে তিনি ফেডারেল কনস্টিটিউশনাল কোর্টে আপিল করেছেন।
