ভাইরাল খবর
কোথা থেকে আসছে টাকা? কী পড়ানো হচ্ছে? রাজ্যে অনুদানহীন মাদ্রাসায় শুরু হচ্ছে বিশেষ পরিদর্শন
ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যের বিভিন্ন অনুদানহীন মাদ্রাসার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠায় এবার বড়সড় পদক্ষেপ নিল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। রাজ্যের ১২টি জেলার স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ও অস্বীকৃতিপ্রাপ্ত সমস্ত সরকারি অনুদানহীন মাদ্রাসায় (Aided and Unaided Madrasahs) বিশেষ পরিদর্শনের (Inspection) সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর। এই উদ্দেশ্যে ১৮ জনের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি (Committee) গঠন করা হয়েছে। আগামী ১৫ জুলাই থেকে এই স্ক্রিনিং বা পরিদর্শন প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। দলগুলি সরেজমিনে মাদ্রাসাগুলিতে গিয়ে নথি ও পঠনপাঠন খতিয়ে দেখবে এবং ২১ জুলাইয়ের মধ্যে সংখ্যালঘু দফতরে চূড়ান্ত রিপোর্ট (Report) জমা দেবে।
প্রশাসনিক সূত্রে খবর, বর্তমানে রাজ্যে কতগুলি বেসরকারি বা স্বীকৃতিবিহীন মাদ্রাসা রয়েছে, তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান (Statistics) সরকারের কাছে নেই। এই পরিস্থিতিতে ব্লক ও পুরসভা ভিত্তিক সমীক্ষার (Survey) জন্য ইতিপূর্বেই জেলাশাসকদের নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছিল। এবার সশরীরে পরিদর্শনে গিয়ে আধিকারিকরা মূলত খতিয়ে দেখবেন—মাদ্রাসাগুলির আয়ের উৎস বা কোথা থেকে টাকা আসছে (Funding), কতজন পড়ুয়া ও শিক্ষক আছেন, মাদ্রাসাগুলি আবাসিক (Residential) কিনা, সেখানে কী কী কোর্স পড়ানো হচ্ছে এবং সর্বোপরি সেগুলি সরকারি নিয়ম মেনে চলছে কিনা।
আপাতত যে ১২টি জেলাকে এই তালিকায় রাখা হয়েছে, সেগুলি হলো—কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, নদীয়া, হুগলি, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা। বিজেপি নেতা তথা পঞ্চায়েত মন্ত্রী (Panchayat Minister) দিলীপ ঘোষ এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “মাদ্রাসা নিয়ে অনেক অভিযোগ ছিল, কিছু জায়গায় বেআইনি কার্যকলাপ হতো। সরকার সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।” নবান্নের দাবি, পড়ুয়াদের সামগ্রিক স্বার্থ ও শিক্ষার সঠিক পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এই ডেডলাইন (Deadline) ভিত্তিক তদন্ত শুরু হচ্ছে।
