ভিক্টোরিয়ায় মাটি ফুঁড়ে বেরোল টিবিএম ‘দুর্গা’! জোকা–এসপ্ল্যানেড মেট্রো প্রকল্পে বড় সাফল্য
Connect with us

ভাইরাল খবর

ভিক্টোরিয়ায় মাটি ফুঁড়ে বেরোল টিবিএম ‘দুর্গা’! জোকা–এসপ্ল্যানেড মেট্রো প্রকল্পে বড় সাফল্য

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ কলকাতা মেট্রোর (Kolkata Metro) জোকা–এসপ্ল্যানেড (Joka–Esplanade) পার্পল লাইন (Purple Line) প্রকল্পে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করল টানেল বোরিং মেশিন (Tunnel Boring Machine-TBM) ‘দুর্গা’। প্রায় এক বছরের নিরবচ্ছিন্ন কাজের পর ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল (Victoria Memorial) মেট্রো স্টেশনের নিচে সফলভাবে ব্রেকথ্রু (Breakthrough) সম্পন্ন করেছে এই অত্যাধুনিক যন্ত্র। এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত প্রকৌশলী (Engineer) ও কর্মীরা পাতালেই ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে উদযাপন করেন।

মেট্রো সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের ১০ জুলাই খিদিরপুর (Kidderpore) থেকে সুড়ঙ্গ খননের কাজ শুরু করেছিল ‘দুর্গা’। ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৭ মিটার গভীরে কাজ করে এক বছরে প্রায় ১.৭ কিলোমিটার সুড়ঙ্গ নির্মাণ করেছে এই টিবিএম। পুরো কাজটি কোনও ধরনের ধস বা ক্ষয়ক্ষতি (Damage) ছাড়াই সম্পন্ন হওয়ায় তা প্রকল্পের অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশেষ গুরুত্বের বিষয়, অতীতে বউবাজার এলাকায় মেট্রোর সুড়ঙ্গ খননের সময় একাধিকবার ভূমিধস ও জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার কারণে ভিক্টোরিয়া সংলগ্ন অংশের কাজ নিয়েও উদ্বেগ ছিল। তবে আধুনিক প্রযুক্তি ও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার ফলে এবার সেই আশঙ্কা বাস্তবে পরিণত হয়নি।

মেট্রোরেলের জেনারেল ম্যানেজার (General Manager) প্রেমসাগর গুপ্তা এই সাফল্যকে ‘মাইলস্টোন’ বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর কথায়, এটি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের (Civil Engineers) অসাধারণ সাফল্য এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অপর টিবিএম ‘দিব্যা’ (Divya)-ও নিজের কাজ সম্পূর্ণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Advertisement
ads ads

বর্তমানে ‘দুর্গা’ পার্ক স্ট্রিটমুখী (Up Line) সুড়ঙ্গ নির্মাণের কাজ শেষ করেছে। অন্যদিকে ‘দিব্যা’ জোকামুখী (Down Line) সুড়ঙ্গ খননের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। দুটি টিবিএম খিদিরপুর থেকে পার্ক স্ট্রিট পর্যন্ত প্রায় ২.৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ টুইন টিউব টানেল (Twin Tube Tunnel) নির্মাণ করছে।

মেট্রো কর্তৃপক্ষের আশা, এই অগ্রগতির ফলে জোকা–এসপ্ল্যানেড মেট্রো করিডরের কাজ আরও দ্রুত এগোবে। প্রকল্পটি চালু হলে দক্ষিণ কলকাতার সঙ্গে শহরের কেন্দ্রস্থলের যোগাযোগ আরও সহজ হবে, যাতায়াতের সময় কমবে এবং কলকাতার গণপরিবহণ (Public Transport) ব্যবস্থায় যুক্ত হবে নতুন গতি।

Continue Reading
Advertisement ads