রাজ্যের খবর
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে বাংলাদেশি সুবিধাভোগীর অভিযোগ, রাজ্য রাজনীতি তপ্ত
ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যে নতুন রাজনৈতিক উত্তাপ (political heat) ছড়িয়েছে, কারণ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmi Bhandar) প্রকল্পের টাকা বাংলাদেশিদের অ্যাকাউন্টে (Bangladeshi accounts) পৌঁছে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এক বাংলাদেশি মহিলা সংবাদমাধ্যম (media) এর সামনে স্বীকার করেছেন যে তিনি নিয়মিত লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পান।
এই মন্তব্য সামনে আসতেই বিজেপি (BJP) তৎপর হয়েছে। তারা দাবী করেছে, কতজন বাংলাদেশি প্রকল্পের সুবিধাভোগী (beneficiary) হয়েছেন, তার স্বচ্ছ (transparent) তদন্ত করা হোক। বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul) সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, “বাংলার মানুষের করের (tax) টাকা থেকে কীভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বাংলাদেশিদের অ্যাকাউন্টে ঢুকল?”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রকল্পের আওতায় থাকা ২ কোটি ১৫ লক্ষ মহিলার মধ্যে অনেকেই বাংলাদেশি। তিনি বলেন, “এই টাকা বাংলার মানুষের জন্যই খরচ হোক—এটাই কাম্য।”
তৃণমূলের (TMC) মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী (Arup Chakraborty) পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন, “বাংলাদেশিরা যদি প্রকল্পের আওতায় থাকে, তবে দায়িত্ব কার? বর্ডার পাহারা তো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (Home Ministry)।” তিনি আরও বিজেপির ভোটার তালিকা সংক্রান্ত দ্বিচারিতার (double standard) কথাও উল্লেখ করেন।
এই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন বাংলাদেশি রোকেয়া বিবি (Rokeya Bibi)। তিনি স্বীকার করেছেন, দশ বছর আগে সাতক্ষীরা থেকে ভারতে ঢুকে আধার ও ভোটার কার্ড তৈরি করেছেন, দু’বার ভোটও দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি SIR-এর নজরে পড়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।
রাজ্য রাজনীতি এখন তপ্ত। বিজেপি অভিযোগ করছে তৃণমূলের নীতিহীনতার (malpractice) কারণে প্রকল্পের টাকা বাংলাদেশিদের যাচ্ছে, আর তৃণমূল পাল্টা কেন্দ্রের সীমান্ত নিরাপত্তা (border security) এর ত্রুটি দেখাচ্ছে। জনমানসে (public curiosity) প্রশ্ন উঠেছে—লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আসল সুবিধাভোগীরা (real beneficiaries) কারা এবং কতজন বাংলাদেশিরা প্রকৃতভাবে টাকা পেয়েছেন।


