‘গ্রেফতারি আগে নাকি বন্যা মোকাবিলা?’ — খগেন হামলার পর কল্যাণের প্রতিক্রিয়া
Connect with us

রাজনীতি

‘গ্রেফতারি আগে নাকি বন্যা মোকাবিলা?’ — খগেন হামলার পর কল্যাণের প্রতিক্রিয়া

নাগরাকাটায় বন্যা পরিদর্শনে গিয়ে আক্রান্ত হলেন সাংসদ খগেন মুর্মু ও বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। ২২ ঘণ্টা কেটে গেলেও গ্রেফতার হয়নি কাউকে। শুভেন্দুর হুঁশিয়ারির পর কল্যাণের মন্তব্য, “সময় দিতে হবে তো।”

Dipa Chakraborty

Published

on

জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri): নাক-মুখ থেকে অবিরাম রক্তপাত (Bleeding) — চারিদিকে চাঞ্চল্যকর দৃশ্য। রুমাল (Handkerchief) কিংবা গামছা (Towel) দিয়েও রক্ত থামানো যাচ্ছে না। সোমবার নাগরাকাটায় (Nagrakata) এমনই ভয়াবহ দৃশ্য দেখা গেল। বন্যা কবলিত (Flood-hit) এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে আক্রান্ত হলেন বিজেপি (BJP) সাংসদ খগেন মুর্মু (Khagen Murmu)। তাঁর সঙ্গে হামলার মুখে পড়েন শিলিগুড়ির (Siliguri) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ (Shankar Ghosh)।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া। বিজেপির অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ চালানো হয়েছে তাদের জনপ্রতিনিধিদের উপর। কিন্তু ২২ ঘণ্টা পার হলেও কোনও গ্রেফতার হয়নি। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দল।

বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৮ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ (Written Complaint) দায়ের হয়েছে। তবুও অভিযুক্তদের কাউকেই পাকড়াও করতে পারেনি রাজ্য পুলিশ। এই ঘটনায় রাজ্যজুড়ে বাড়ছে উত্তেজনা।

বিজেপি হামলার দায় সরাসরি চাপিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) উপর। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে (Social Media) লিখেছেন —
“একজন সাংসদ ও একজন বিধায়ক যখন দুর্গতদের সাহায্য করতে গিয়েছিলেন, তখন তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়েছে — এটি তৃণমূলের অসংবেদনশীলতা এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার (Law and Order) করুণ চিত্র।”

Advertisement
ads

এদিকে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ইতিমধ্যে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “ভিডিও ফুটেজে (Video Footage) স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে কারা হামলায় যুক্ত। যদি আজ বিকেলের মধ্যে ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, আমরা আগামীকালই কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) ভ্যাকেশন বেঞ্চে (Vacation Bench) যাব।”

তবে রাজ্যের মন্ত্রী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) পুলিশের পক্ষ নিয়েই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন,
“পুলিশ আগে কোনটা করবে? গ্রেফতারি না বন্যা মোকাবিলা (Flood Relief)? সময় দিতে হবে তো।”

ঘটনার পর নাগরাকাটার রাজনৈতিক আবহ উত্তপ্ত। একদিকে বিজেপির প্রতিবাদ, অন্যদিকে তৃণমূলের পাল্টা দাবি— “বিজেপি রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে চাইছে।” এখন নজর, অভিযুক্তদের গ্রেফতারি কবে হয়।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement