বিস্ফোরণের তীব্রতায় গ্রামের কমপক্ষে ১৫টি দোকান এবং চারটি বাড়ি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও দমকল বাহিনী (Fire Brigade) রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। হোশিয়ারপুর, দাশুয়া এবং তালওয়ারা থেকে অতিরিক্ত দমকল গাড়ি পাঠানো হয়। নিরাপত্তার কারণে হোশিয়ারপুর-জলন্ধর জাতীয় সড়ক বন্ধ করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনাস্থলের আশেপাশের এক কিলোমিটার এলাকা থেকে লোকজন সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে একটি গ্যাস প্ল্যান্ট (Gas Plant) থাকলেও আগুন সেখানে ছড়ায়নি। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পিকআপ ভ্যান ও ট্যাঙ্কারের ধাক্কা লাগার পর ট্যাঙ্কারটি উল্টে যায় এবং তাতেই আগুন ধরে মুহূর্তের মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটে।
হোশিয়ারপুরের ডেপুটি কমিশনার আশিকা জৈন (Ashika Jain, Deputy Commissioner) জানান, শুক্রবার রাত দেড়টা নাগাদ আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। সিভিল সার্জন পবন কুমার (Pavan Kumar, Civil Surgeon) জানান, দু’টি দেহ হাসপাতালে আনা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “হাসপাতালে ২০ থেকে ২২ জন ভর্তি আছেন। গুরুতর আহতদের মধ্যে অনেককে অন্যত্র রেফার করা হয়েছে। মৃতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।”
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান পাঞ্জাবের ক্যাবিনেট মন্ত্রী রবজোত সিং (Ravjot Singh, Cabinet Minister)। তিনি জানান, আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে দুর্ঘটনার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়া স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় কয়েক কিলোমিটার দূরে মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা পাঞ্জাবের মান্দিয়ালা অঞ্চলে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এবং স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতা ও উদ্ধারকার্যের গুরুত্ব আরও উজ্জ্বল করেছে।