ইরানের ইসফাহানে আমেরিকার ভয়াবহ হামলা: বাঙ্কার বাস্টারে গুঁড়িয়ে গেল পরমাণু ঘাঁটি
Connect with us

বিশ্বের খবর

ইরানের ইসফাহানে আমেরিকার ভয়াবহ হামলা: বাঙ্কার বাস্টারে গুঁড়িয়ে গেল পরমাণু ঘাঁটি

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ফের ইরানের মাটিতে ভয়াবহ হামলা চালাল আমেরিকা। মঙ্গলবার ভোররাতে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু ঘাঁটি (Nuclear Base) ইসফাহানে বাঙ্কার বাস্টার (Bunker Buster) বোমা ফেলল আমেরিকার বোমারু বিমান। এই হামলার ফলে সৃষ্ট শক্তিশালী বিস্ফোরণে (Explosion) কেঁপে ওঠে গোটা শহর। সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল হোয়াইট হাউসের শীর্ষ আধিকারিকদের উদ্ধৃতি দিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে।

Advertisement
ads

হামলার কিছুক্ষণ পরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া (Social Media) প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ’-এ একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে, পর পর বিস্ফোরণের ফলে রাতের আকাশে বিশালাকার আগুনের গোলা (Fireball) তৈরি হয়েছে এবং গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে। ট্রাম্প ভিডিওটি শেয়ার করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, এটি ইসফাহান পরমাণু কেন্দ্র এবং নিকটবর্তী মাউন্ট সাফা এলাকার বদর মিলিটারি এয়ারবেসে (Military Airbase) হামলার দৃশ্য।

উল্লেখ্য, আমেরিকা ও ইজরায়েলের সাথে ইরানের সংঘাত যখন চরমে, তখন ওয়াশিংটন তেহরানকে ১৫ দফা শর্ত দিয়ে সাময়িক সংঘর্ষবিরতির (Ceasefire) প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু সেই মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ফের এই বড়সড় হামলা চলল। হোয়াইট হাউসের দাবি, ইরানের রিভোলিউশনারি গার্ড (Revolutionary Guard) ওই ঘাঁটিতে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ মজুত করে রেখেছিল, যা ধ্বংস করতেই ২ হাজার থেকে ৫ হাজার পাউন্ডের ডিপ পেনিট্রেটর (Deep Penetrator) বা বাঙ্কার বাস্টার বোমা ব্যবহার করা হয়েছে।

হামলার পর ইসফাহান শহরে তেজস্ক্রিয়তা (Radiation) ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বেড়েছে। এর আগেও ট্রাম্পের নির্দেশে নাতানজ পরমাণু কেন্দ্রে একই ধরণের হামলা চালানো হয়েছিল। মঙ্গলবারের এই ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি (Geopolitics) ফের চরম অস্থিরতার মুখে পড়ল।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement