নীল তারকা কাইলি পেজের অকালপ্রয়াণ, পরিবারের দাবি ‘অন্তরে উজাড় করে ভালোবাসতেন’
Connect with us

বিনোদন

নীল তারকা কাইলি পেজের অকালপ্রয়াণ, পরিবারের দাবি ‘অন্তরে উজাড় করে ভালোবাসতেন’

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ শোকের ছায়া নেমে এল আন্তর্জাতিক পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে। আমেরিকার জনপ্রিয় প্রাপ্তবয়স্ক চলচ্চিত্র অভিনেত্রী কাইলি পেজ (Kylie Page) প্রয়াত। মাত্র ২৮ বছর বয়সে নিজের লস অ্যাঞ্জেলেসের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে উদ্ধার হয় তাঁর নিথর দেহ। ঘটনার পর প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, মাদক সংক্রান্ত অতিরিক্ত ডোজেই মৃত্যু হয়েছে এই তরুণ অভিনেত্রীর। তবে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে মৃত্যুর কারণ ঘোষণা করেনি লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টি মেডিক্যাল এক্সামিনার।

পুলিশ সূত্রে খবর, চলতি বছরের ২৫ জুন বন্ধুর ফোনে পাওয়া একটি ‘ওয়েলফেয়ার চেক’ কলের ভিত্তিতে লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ পৌঁছয় কাইলির বাড়িতে। দরজা ভেঙে ঢুকে তাঁকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে পুলিশ জানিয়েছে, কাইলির ঘর থেকে ফেন্টানিল (Fentanyl) জাতীয় মারাত্মক মাদক এবং তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু জিনিসপত্র (drug paraphernalia) পাওয়া গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃসাইবার জালিয়াতি নিয়ে উদ্বেগ, অমিত শাহকে কঠোর আইনের আবেদন মুখ্যমন্ত্রীর

জানা গিয়েছে, ফেন্টানিল এমন একটি কৃত্রিম ওপিওয়েড, যা ক্যানসারের মতো তীব্র যন্ত্রণা নিরসনের জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি মরফিনের তুলনায় ৫০ থেকে ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালী। দীর্ঘদিন ধরে মাদকে আসক্তির পর যখন হেরোইন বা অক্সিকোডন আর কাজ করে না, তখন অনেকেই ফেন্টানিলের আশ্রয় নেন।

Advertisement
ads

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু ‘সেক্সুয়াল’ প্রকৃতির ছবি উদ্ধার হয়েছে, যেগুলিতে কাইলিকে একাধিক পুরুষের সঙ্গে দেখা গিয়েছে। তবে প্রাথমিক তদন্তে কোনওরকম অপরাধমূলক কার্যকলাপ বা ষড়যন্ত্রের প্রমাণ মেলেনি। তাই এটি নিছকই একটি দুর্ঘটনাজনিত ওভারডোজ বলেই মনে করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, কাইলি পেজের আসল নাম ছিল কাইলি পাইলান্ট (Kylee Pylant)। তিনি ২০১৬ সালে পর্ন ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন এবং এরপর থেকে প্রায় ২০০-রও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। বিখ্যাত প্রোডাকশন হাউজ ব্র্যাজ়ার্স-সহ একাধিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।

২০১৭ সালে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়া ‘Hot Girls Wanted: Turned On’ নামক ডকু-সিরিজে নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা, মানসিক দ্বন্দ্ব ও মাদকের প্রতি নির্ভরশীলতা নিয়ে খোলাখুলি বলেছিলেন কাইলি।

তাঁর পরিবার ইতিমধ্যেই একটি ‘গোফান্ডমি’ (GoFundMe) ক্যাম্পেন শুরু করেছে কাইলির মরদেহ ওকলাহোমার টুলসায় নিয়ে যাওয়ার জন্য এবং শেষকৃত্যের খরচ বহনের উদ্দেশ্যে। ক্যাম্পেনের বিবরণে লেখা হয়েছে, “সে ছিল এমন এক মেয়ে, যে গভীরভাবে ভালোবাসত, কখনও কাউকে ছেড়ে দিত না, আর বন্ধু হিসেবে সর্বদা পাশে থাকত।”

Advertisement
ads

এই অকালে একটি প্রাণ ঝরে যাওয়ার ঘটনায় শোকস্তব্ধ তাঁর অনুরাগী থেকে সহকর্মীরা— সকলেই।

Continue Reading
Advertisement