শহিদ দিবসের আগে ধর্মতলায় পুলিশের নিষেধাজ্ঞা! আইনি লড়াইয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ডেরেক
Connect with us

ভাইরাল খবর

শহিদ দিবসের আগে ধর্মতলায় পুলিশের নিষেধাজ্ঞা! আইনি লড়াইয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ডেরেক

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ ২১ জুলাইয়ের ‘শহিদ দিবস’ (Martyrs’ Day) সমাবেশের আগে ধর্মতলা (Esplanade) চত্বরে জারি হওয়া ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (Bharatiya Nagarik Suraksha Sanhita-BNSS) ১৬৩ ধারা ঘিরে নতুন রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক শুরু হয়েছে। কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) ৬০ দিনের নিষেধাজ্ঞার (Prohibitory Order) সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন (Derek O’Brien)।

সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে (Bench) মামলার আবেদন জানানো হলে আদালত মামলা দায়েরের অনুমতি দেয়। আগামী ১৫ জুলাই এই মামলার শুনানি (Hearing) হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তৃণমূলের পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী ও সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে দাবি করেন, কলকাতা পুলিশের নির্দেশিকা সম্পূর্ণ ‘স্বেচ্ছাচারী’ (Arbitrary) এবং তা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার (Fundamental Rights) লঙ্ঘন করছে।

গত মাসের শেষ দিকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ভিক্টোরিয়া হাউস (Victoria House) সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় ৬০ দিনের জন্য ১৬৩ ধারা কার্যকর করেন। এই নির্দেশ বউবাজার, হেয়ার স্ট্রিট এবং হেড কোয়ার্টার্স ট্রাফিক গার্ড (Traffic Guard)-এর অধীন একাধিক এলাকায় প্রযোজ্য। কেসি দাস মোড় থেকে ভিক্টোরিয়া হাউস পর্যন্ত এলাকায় সভা (Meeting), মিছিল (Rally), ধর্না (Dharna), সমাবেশ (Gathering) এবং অস্ত্র বহনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবে বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটকে এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছে।

Advertisement
ads ads

পুলিশের দাবি, মধ্য কলকাতার (Central Kolkata) ব্যস্ত এলাকায় আকস্মিক জমায়েত হলে আইনশৃঙ্খলা (Law and Order) পরিস্থিতির অবনতি ও যান চলাচলে (Traffic) বিঘ্ন ঘটতে পারে। তাই জননিরাপত্তার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রতি বছর ২১ জুলাই ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস সংলগ্ন এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের শহিদ দিবসের সমাবেশে বিপুল জনসমাগম হয়। এই পরিস্থিতিতে পুলিশের নির্দেশিকার বৈধতা নিয়ে শুরু হওয়া আইনি লড়াই এখন রাজনৈতিক মহলেরও অন্যতম আলোচ্য বিষয়। ১৫ জুলাইয়ের শুনানির দিকেই নজর রয়েছে সকলের।