SIR-এর পর শিক্ষকদের কাঁধে নতুন বড় সরকারি দায়িত্ব! সেন্সাসে অনীহা দেখালে হতে পারে তিন বছরের জেল
Connect with us

ভাইরাল খবর

SIR-এর পর শিক্ষকদের কাঁধে নতুন বড় সরকারি দায়িত্ব! সেন্সাসে অনীহা দেখালে হতে পারে তিন বছরের জেল

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ার পর এবার জনগণনা ২০২৭ (Census 2027)-এর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। এই কাজে শিক্ষক (Teacher), সহকারী শিক্ষক (Assistant Teacher) এবং স্কুলের ক্লার্কদের (Clerk) বাধ্যতামূলকভাবে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কলকাতা পুরনিগম (Kolkata Municipal Corporation-KMC) জেলা স্কুল পরিদর্শকের (District Inspector-DI) দফতরে একটি নির্দেশমূলক চিঠি পাঠিয়েছে।

চিঠিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ২০২৭ সালের জনগণনার কাজে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। কোনও যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়াই যদি কেউ এই দায়িত্ব পালন করতে অস্বীকার করেন বা অনীহা (Refusal) দেখান, তাহলে সেন্সাস অ্যাক্ট, ১৯৪৮ (Census Act, 1948) অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা (Legal Action) নেওয়া হতে পারে।

নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা জরিমানা (Fine) এবং তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড (Imprisonment) হতে পারে। তাই জনগণনার দায়িত্ব পালনে কোনও ধরনের গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলেই স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।

কলকাতা পুরনিগমের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র শিক্ষক নন, সহকারী শিক্ষক এবং স্কুলের দাপ্তরিক কর্মীদেরও এই সরকারি কাজে অংশ নিতে হবে। জেলা স্কুল পরিদর্শককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তিনি যেন দ্রুত সমস্ত স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষিকাদের কাছে এই নির্দেশিকা পৌঁছে দেন।

Advertisement
ads ads

যদিও জেলা স্কুল পরিদর্শকের দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, পঠনপাঠনের (Teaching) স্বার্থে কিছু শিক্ষককে এই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন জানানো হতে পারে। তবে এই মুহূর্তে কলকাতা পুরনিগম এমন কোনও অনুরোধ গ্রহণের পক্ষে নয় বলে জানা গেছে।

শিক্ষামহলের একাংশের মতে, জনগণনার মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দায়িত্ব এবং বিদ্যালয়ের নিয়মিত পঠনপাঠনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তবে প্রশাসনের অবস্থান স্পষ্ট—কেন্দ্রীয় আইনের অধীনে জনগণনার দায়িত্ব পালন বাধ্যতামূলক এবং এ বিষয়ে কোনওরকম অনীহা বা অবহেলা গ্রহণযোগ্য নয়। ফলে আগামী দিনে রাজ্যের স্কুলগুলিতে জনগণনার কাজ কীভাবে পরিচালিত হবে, সেদিকেই এখন নজর শিক্ষা মহলের।

Continue Reading
Advertisement ads