দেশের খবর
পেট্রল-ডিজেলের দাম এখনই কমছে না! অপেক্ষার ইঙ্গিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর
ডিজিটাল ডেস্কঃ ইরান ও আমেরিকার (United States) মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন এবং হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে (international market) অপরিশোধিত তেলের (crude oil) দাম ব্যারেলপ্রতি ১১০ ডলার থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ৭০-৭৫ ডলারে নেমে এসেছে। তবে বিশ্ববাজারে এই দাম কমার সুফল এখনই ভারতের আমজনতা পাচ্ছে না। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী (Hardeep Singh Puri) সাফ জানিয়েছেন, দেশে পেট্রল-ডিজেলের দাম কমার সম্ভাবনা এখনই নেই; এর জন্য আরও অন্তত দুই থেকে তিন মাস সময় লাগবে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলি (oil marketing companies) বর্তমানে যে জ্বালানি বিক্রি করছে, তা মূলত দু’মাস আগে চড়া দামে কেনা তেল থেকে পরিশোধিত (refined) হয়েছে। ফলে বিশ্ববাজারে দাম কমলেও অভ্যন্তরীণ খুচরো বাজারে (retail market) তার সরাসরি প্রভাব পড়তে সময় লাগবে। তাছাড়া, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম ৩০-৫০ শতাংশ বাড়লেও ভারতে মূল্যবৃদ্ধি (inflation) নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছিল। এর ফলে গত ৩০ জুন পর্যন্ত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলির সম্মিলিত লোকসানের (financial loss) পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭৪,৭৮১ কোটি টাকা।
এদিকে দেশের বৃহত্তম বেসরকারি জ্বালানি সংস্থা ‘নায়রা এনার্জি’ (Nayara Energy) পেট্রল ৫ টাকা ও ডিজেল ৩ টাকা কমালেও ইন্ডিয়ান অয়েল বা ভারত পেট্রোলিয়ামের মতো রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি এখনই সেই পথে হাঁটছে না। মন্ত্রীর দাবি, নায়রা এনার্জি আগে দাম বাড়িয়েছিল, যা তারা এখন কমাল। কিন্তু রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি সংকটের সময়েও দাম বাড়ায়নি।
পাশাপাশি, E20 বা ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত পেট্রল (ethanol-blended petrol) নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো যাবতীয় গুজব (rumors) উড়িয়ে দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করেন, বিভিন্ন অটোমোবাইল সংস্থার সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার পরেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং এতে গাড়ির পারফরম্যান্স বা বিমার (insurance) ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হবে না।
