বাস-মেট্রো সফর ও ওয়ার্ক ফ্রম হোম! জ্বালানি ও টাকা বাঁচাতে নবান্নের নয়া গাইডলাইন
Connect with us

ভাইরাল খবর

বাস-মেট্রো সফর ও ওয়ার্ক ফ্রম হোম! জ্বালানি ও টাকা বাঁচাতে নবান্নের নয়া গাইডলাইন

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যে প্রশাসনিক কাজে আরও গতি আনতে এবং রাজকোষের (Exchequer) অপ্রয়োজনীয় খরচ কমাতে একগুচ্ছ কড়া পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। সোমবার মুখ্যসচিবের দফতর থেকে এই সংক্রান্ত একটি জরুরি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। জ্বালানি সাশ্রয়, পাবলিক ট্রান্সপোর্টের ব্যবহার এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সর্বাধিক ব্যবহারের ওপর জোর দিয়ে এবার সরকারি দফতর ও জেলা প্রশাসনগুলিকে নির্দিষ্ট ‘অ্যাকশন প্ল্যান’ তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারি সূত্রে খবর, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের (Financial Year) জন্য এই বিশদ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে হবে প্রতিটি দফতরকে। মুখ্যসচিবের এই নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে, মূলত সাতটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে এই নতুন কর্মপরিকল্পনা সাজাতে হবে:

  • ভার্চুয়াল মিটিংয়ে জোর: সশরীরে উপস্থিতির বদলে ভিডিও কনফারেন্স (Video Conference) বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে হবে। প্রয়োজনে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’-এর বিষয়টিও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।

  • ভ্রমণ ও জ্বালানি সাশ্রয়: সরকারি কাজে অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত কমাতে হবে। বড় আধিকারিকদের ক্ষেত্রে কার-পুলিং (Car-pooling) এবং বৈদ্যুতিক গাড়ির (Electric Vehicle) ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে।

  • বিদ্যুৎ ও শক্তি সঞ্চয়: সরকারি অফিসগুলোতে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে।

  • কাগজহীন অফিস: ই-অফিস (E-office) ব্যবস্থার প্রসার ঘটিয়ে কাগজ ব্যবহারের খরচ কমাতে চাইছে রাজ্য।

  • ‘স্বদেশি’ ও স্থানীয় পণ্যে গুরুত্ব: সরকারি কেনাকাটার ক্ষেত্রে দেশীয় বা রাজ্যে তৈরি পণ্যে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

  • প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবহার: বর্জ্য নিষ্কাশন ও পুনর্ব্যবহারের (Recycle) মাধ্যমে অপচয় বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • সুস্থ জীবনযাপন: অর্গানিক বা পরিবেশবান্ধব পণ্যের ব্যবহার বাড়িয়ে সুস্থ জীবনযাত্রার বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগামী ২২ মে, ২০২৬ তারিখের মধ্যে এই রিপোর্ট মুখ্যসচিবের দফতরে জমা দিতে হবে। পরবর্তীকালে, ১ জুলাই থেকে প্রতি মাসে এই কাজের অগ্রগতি নিয়ে ‘মান্থলি রিপোর্ট’ (Monthly Report) পাঠানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। রাজ্যের সমস্ত অ্যাডিশনাল চিফ সেক্রেটারি, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এবং জেলাশাসকদের (District Magistrates) এই বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
ads
Continue Reading
Advertisement