ভাইরাল খবর
লকআপের ভিতরে ‘ভিআইপি’ খাতির! সুজিত বসুর ১০ দিনের হেফাজত চাইল ইডি
ডিজিটাল ডেস্কঃ রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটলেও পুলিশি মানসিকতায় কি বদল এসেছে? মঙ্গলবার ব্যাঙ্কশাল আদালত (Bankshall Court) চত্বরে প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর (Sujit Bose) জন্য কলকাতা পুলিশের বিশেষ ‘ব্যবস্থা’ দেখে এই প্রশ্নই তুললেন আইনজীবীরা। অভিযোগ উঠেছে, আদালতের লকআপের ভেতরে অন্য বন্দিদের মতো নয়, বরং চেয়ারে বসে এবং মাথার ওপর পাখা চালিয়ে ‘ভিআইপি’ (VIP) মর্যাদা পাচ্ছিলেন সুজিত। আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের প্রতিবাদে এবং পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় তপ্ত হয়ে ওঠে আদালত চত্বর।
এদিন পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Municipal Recruitment Scam) গ্রেপ্তার হওয়া সুজিত বসুকে ১০ দিনের হেফাজতে (Custody) নেওয়ার আবেদন জানায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। ইডির আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী আদালতে দাবি করেন, সুজিত বসু অন্তত ৪০ জন অযোগ্য প্রার্থীর নাম সুপারিশ করেছিলেন। তদন্তে উঠে এসেছে যে, লকডাউন (Lockdown) চলাকালীন রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকলেও সুজিতের অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা জমা পড়েছে। প্রায় ৮ কোটি টাকার আয়ের কোনো বৈধ উৎস (Source of Income) দেখাতে পারেননি এই প্রাক্তন হেভিওয়েট নেতা।
অন্যদিকে, সুজিত বসুর আইনজীবী পাল্টা যুক্তি দেন যে, ২০২২ সাল থেকে তদন্ত চললেও সিবিআই-এর চার্জশিটে (Charge-sheet) সুজিতের নাম নেই। কেন হঠাৎ ২০২৬ সালে এসে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। ইডির আশঙ্কা, প্রাক্তন মন্ত্রী প্রভাবশালী (Influential) হওয়ায় বাইরে থাকলে তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করতে পারেন। দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষে আদালত কী রায় দেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।


