সামাজিক মাধ্যম বন্ধে সরকারের সিদ্ধান্ত ঘিরে নেপালে ‘Gen Z বিপ্লব’, আহত অর্ধসহস্রাধিক
Connect with us

দুর্ঘটনা

সামাজিক মাধ্যম বন্ধে সরকারের সিদ্ধান্ত ঘিরে নেপালে ‘Gen Z বিপ্লব’, আহত অর্ধসহস্রাধিক

Dipa Chakraborty

Published

on

ডিজিটাল ডেস্কঃ নেপালে সাম্প্রতিক সামাজিক মাধ্যম (Social Media) নিষেধাজ্ঞা ও সরকারের দুর্নীতির (Corruption) বিরুদ্ধে ব্যাপক তরুণ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে রাজধানী কাঠমান্ডুতে। এই ‘জেন জেড বিপ্লব’ (Gen Z Revolution) এর মুখ্য ভূমিকা পালন করছে দেশের নতুন প্রজন্ম – স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা।

গত ৪ সেপ্টেম্বর নেপালের প্রধান মন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি সরকার ফেসবুক (Facebook), টুইটার (Twitter), হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp), ইউটিউব (YouTube) সহ ২৬টি সামাজিক মাধ্যম বন্ধ করে দেয়, যেগুলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের (Ministry of Communications and Information Technology) কাছে নিবন্ধন না করায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

সরকারের ভাষ্য, এটি কেবল মাত্র “নিয়ন্ত্রক নিয়মনীতি” (Regulatory Compliance) নিশ্চিত করার অংশ, কিন্তু আন্দোলনকারীদের মতে, এটি প্রকাশের স্বাধীনতা (Freedom of Expression) হরণের এক নির্মম প্রচেষ্টা।

সোমবার বিক্ষোভ চরমে ওঠে। মৈতিঘর মণ্ডলা (Maitighar Mandala) থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিল পার্লামেন্টের (Parliament) দিকে অগ্রসর হলে পুলিশ জলকামান (Water Cannon), টিয়ার গ্যাস (Tear Gas) ছোড়ে এবং পরে গুলি চালায় (Firing)। ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন প্রায় ৮০০ জনেরও বেশি।

Advertisement
ads

তরুণদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল – “স্বাধীন কণ্ঠ আমাদের অধিকার”“ট্যাক্সের টাকা কোথায় গেল?”। পুলিশের ব্যারিকেড (Barricade) ভেঙে সংসদ ভবনের ভেতরেও প্রবেশ করে কিছু আন্দোলনকারী।

ইন্টারনেট ও মোবাইল সংযোগ বন্ধ থাকা সত্ত্বেও, টিকটক (TikTok) এবং রেডিট (Reddit)-এর মতো বিকল্প মাধ্যমে তারা সংগঠিত হতে থাকে। তরুণদের এই সুসংগঠিত ও সাহসী প্রতিক্রিয়া দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব (Sovereignty) নষ্ট করার যেকোনো প্রচেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।” তিনি আরও বলেন, “দেশের স্বাধীনতা ক’জনের চাকরি হারানোর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”

Advertisement
ads

সরকার ২৮ আগস্ট সামাজিক মাধ্যমগুলোকে ৭ দিনের সময়সীমা দিয়েছিল নিবন্ধনের জন্য। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও মেটা (Meta), অ্যালফাবেট (Alphabet), এক্স (X, পূর্বে Twitter), রেডিট (Reddit), লিঙ্কডইন (LinkedIn) সহ কোনও প্ল্যাটফর্ম নিবন্ধন করেনি।

Continue Reading
Advertisement