ভাইরাল খবর
বারুইপুরে দেওয়া কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী! নিহত ইন্দ্রজিতের পরিবারকে দিলেন চাকরি
ডিজিটাল ডেস্কঃ বারুইপুর (Baruipur) সফরে গিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ তিনি প্রথমে ধর্ষণ ও খুনের (Rape-Murder) শিকার নাবালিকার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের বাড়িতে পৌঁছে তাঁর পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। এদিন ইন্দ্রজিতের দাদা বাপির হাতে সরকারি চাকরির (Government Job) নিয়োগপত্র তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী।
নিজের আগের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, সূর্যপুরে (Suryapur) নতুন পুলিশ ফাঁড়ির (Police Outpost) উদ্বোধনও করেন তিনি। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ফাঁড়িতে আপাতত ২ জন সাব-ইন্সপেক্টর (SI), ৪ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর (ASI), ৪ জন মহিলা পুলিশ-সহ মোট ২০ জন কর্মী মোতায়েন থাকবেন। এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের আর অভিযোগ জানাতে দূরের থানায় ছুটতে হবে না বলে মনে করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ৫ জুলাই একটি পুকুর থেকে ১২ বছরের নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ, তাকে গণধর্ষণের (Gangrape) পর খুন করা হয়েছিল। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত চারজন গ্রেফতার হয়েছেন। পুলিশের দাবি, মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল পুলিশের এনকাউন্টারে (Encounter) নিহত হয়েছে। ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা সন্দেহের বশে অটোচালক ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করে।
এর আগে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ইন্দ্রজিৎ নির্দোষ ছিলেন এবং এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেই তদন্তে ইতিমধ্যেই ৩৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রশাসনের উদ্যোগে ইন্দ্রজিতের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি সংস্কার করা হয়েছে এবং নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরাও বসানো হয়েছে।
এদিকে নির্যাতিতার বাবা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর তদন্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি গণপিটুনি ও হিংসায় উসকানির অভিযোগে পুলিশ, এসটিএফ (STF) এবং স্পেশ্যাল অপারেশন গ্রুপ (SOG)-এর যৌথ অভিযানে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, এলাকায় শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা (Law and Order) বজায় রাখতে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
