ভাইরাল খবর
উপহার দেওয়া সোনার হার-জামা ফেরাতে চান কাকলি-পুত্র! মমতাকে দেওয়া উপহার ফিরিয়ে সরব বৈদ্যনাথ
ডিজিটাল ডেস্কঃ তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও ভাঙনের আবহে এবার এক নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী থাকল বাংলার রাজনীতি। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া সমস্ত উপহার ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন বারাসতের ‘বিদ্রোহী’ সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে, পেশায় মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist) ডাঃ বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। শুধু উপহার ফেরত দেওয়াই নয়, মানহানির অভিযোগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে আইনি নোটিস (Legal Notice) পাঠিয়েছেন তিনি।
রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) একটি বিস্ফোরক পোস্ট করে বৈদ্যনাথবাবু জানান, গত ৪-৫ বছরে দুর্গাপুজোয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া সমস্ত পোশাক এবং তাঁদের বিয়েতে তাঁর স্ত্রীকে উপহার দেওয়া সোনার নেকলেস (Gold Necklace) তিনি কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে সশরীরে ফেরত দিয়ে আসবেন। প্রয়োজনে এই দু-বছরের সুদ দিতেও তিনি প্রস্তুত। ছেলের এই সাহসী পদক্ষেপের পাশে দাঁড়িয়ে সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারও এক্স (X) হ্যান্ডেলে লেখেন, “তোমার ও তোমার স্ত্রীর জন্য গর্বিত।”
Proud of you and your wife https://t.co/Agktr78hUh
— Dr. KakoliGDastidar (@kakoligdastidar) June 14, 2026
উপহার ফেরানোর পাশাপাশি তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ের (Legal Battle) হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বৈদ্যনাথবাবু। তাঁর অভিযোগ, এক মাস আগের এক সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে দাবি করেছিলেন যে, এক সাংসদ তাঁর ছেলের জন্য বারাসত বিধানসভার টিকিট (Ticket) না পেয়ে ক্ষোভে দল ভাঙছেন এবং বিজেপির (BJP) সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন। বৈদ্যনাথবাবু তাঁর আইনজীবী পূজা শুক্লর মাধ্যমে পাঠানো নোটিসে স্পষ্ট করেছেন, তিনি কখনই ভোটে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেননি। এই ভিত্তিহীন বক্তব্যের জন্য সৌগত রায়, মহুয়া মৈত্র, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সোনালী গুহকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিশেষত, সোনালী গুহর করা পারিবারিক মদ্যপানের কুৎসিত অভিযোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনার (Public Apology) দাবি জানিয়েছেন তিনি। লোকসভা অধিবেশনের আগে ২০ জন বিক্ষুব্ধ সাংসদকে নিয়ে কাকলি যখন দিল্লিতে পৃথক ব্লক (Separate Block) গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, ঠিক তখনই তাঁর পুত্রের এই আইনি পদক্ষেপ তৃণমূলের অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে দিল।
