দেশের খবর
দিল্লিতে পাক প্রশিক্ষিত জঙ্গি গ্রেফতার, কলকাতা ও দক্ষিণে বড় হামলার ছক বানচাল
ডিজিটাল ডেস্কঃ জাতীয় নিরাপত্তায় বড়সড় সাফল্য (Success) পেল দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল (Special Cell)। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (Central Agencies) সহায়তায় দিল্লি সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি সাব্বির আহমেদ লোন ওরফে রাজাকে। অভিযোগ, এই জঙ্গি জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরের বাসিন্দা হলেও দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে (Bangladesh) বসে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর (ISI) নির্দেশে ভারতবিরোধী কার্যকলাপ (Anti-India Activities) চালাচ্ছিল।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, সাব্বির লস্করের একটি শক্তিশালী সন্ত্রাস মডিউলের (Terror Module) প্রধান মাথা ছিল। এই মডিউলটি সম্প্রতি দিল্লি ও কলকাতা সহ ভারতের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নাশকতামূলক হামলা ও দেশবিরোধী পোস্টার লাগানোর কাজ করছিল। সাব্বির মূলত বাংলাদেশে থেকে ভারতীয় অনুপ্রবেশকারী ও বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়োগ (Recruitment) করত, যাতে হামলার নেপথ্যে পাকিস্তানের সরাসরি যোগসাজশ (Pakistan Involvement) আড়াল করা যায়। সে পাকিস্তানের মুজাফ্ফরাবাদে ‘দৌরা-ই-আম’ ও ‘দৌরা-ই-খাস’-এর মতো উচ্চস্তরের জঙ্গি প্রশিক্ষণ (Trained Militant) নিয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে প্রথমবার সাব্বিরকে বিপুল অস্ত্রশস্ত্র (Arms and Ammunition) সহ গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই সময় তদন্তে ২৬/১১ মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ড হাফিজ সইদ ও লস্কর কমান্ডার লাখভির সঙ্গে তার সরাসরি যোগ পাওয়া যায়। ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিহাড় জেলে (Tihar Jail) বন্দি থাকার পর সে জামিনে (Bail) মুক্তি পায়। কিন্তু জামিন পেয়েই সে বাংলাদেশে পালিয়ে যায় এবং সেখানে লস্করের নতুন জাল (Network) বিছিয়ে দেয়। সোমবার দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, সাব্বিরকে জেরা (Interrogation) করে এখন এই চক্রের অর্থের উৎস (Funding Routes) ও সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু (Targets) খোঁজার চেষ্টা চলছে।


